বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে উপহারের ট্যাংক ব্যবহারের ইতিবৃত্ত

পাঠক প্রিয়

উপদেষ্টা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক সরকার আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নজির স্থাপনের উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য সমমর্যাদাসম্পন্ন...

পাকিস্তানের ভারত-বর্জন: আইসিসি, বিসিবি ও পিসিবির মধ্যে উত্তেজনার অবস্থা

অনলাইন ডেস্ক লাহোর থেকে সংবাদদাতা: পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার পর বাংলাদেশ...

আইসিসি–পিসিবি আলোচনায় ভারত ম্যাচ বয়কট ইস্যু, অনিশ্চয়তায় ১৫ ফেব্রুয়ারির হাইভোল্টেজ লড়াই

স্পোর্টস ডেস্ক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে আলোচনা...

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব অভিযোগ: নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

নিজস্ব প্রতিবেদক ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে করা লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ হওয়ায় ঢাকা-১১, কুমিল্লা-৩ ও বগুড়া-১ আসনে বিএনপির...

তুলসীপাতার অসাধারণ গুণে কিডনি, সর্দি-কাশি ও হজমশক্তি সুস্থ রাখা সম্ভব বিষয়বস্তু:

অনলাইন ডেস্ক তুলসী, সবুজ গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, স্বাস্থ্য রক্ষায় এক প্রাচীন ও কার্যকরী উপাদান। তুলসীপাতার রস বা চা প্রতিদিন এক গ্লাস...

১৯৭৪ সালে মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার আল সাদাত বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে ৩০টি ট্যাংক উপহার দিয়েছিলেন।

অথচ সেই ট্যাংক শেখ মুজিবকে হত্যার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট।

শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সাথে হত্যার সময় ঘাতক সেনা কর্মকর্তারা শহরে ত্রাস সৃষ্টির জন্য সেসব ট্যাংক ব্যবহার করেছিল। যদিও সেসব ট্যাংকে কোনো গোলাবারুদ ছিল না।

মিসর কেন ট্যাংক উপহার দিয়েছিল?
১৯৭৩ সালে আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ আরবদের সমর্থন দিয়েছিল। আরবদের প্রতি সমর্থন এবং ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে মিসরে চা পাঠিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।

আরব-ইসরাইল যুদ্ধের পর মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার আল সাদাত বাংলাদেশের পাঠানো উপহারের কথা ভোলেননি। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মিসরের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফরে আসেন।

তখন আনোয়ার আল সাদাতের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবকে জানানো হয়, মিসর বাংলাদেশকে ৩০টি ট্যাংক উপহার দিতে চায়। উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে তোলা।

পাকিস্তানী সাংবাদিক অ্যান্থনী মাসকারেনহাস তার লেখা ‘বাংলাদেশ : আ লিগ্যাসি অব ব্লাড’ বইতে সে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

সে বইটির বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ রক্তের ঋণ’ শিরোনামে। ১৯৮৮ সালে অনুবাদ করা সে বইটি প্রকাশ করেছে হাক্কানি পাবলিশার্স।

অ্যান্থনী মাসকারেনহাস-এর বর্ণনা অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান ট্যাংক গ্রহণ করতে খুব একটা রাজি ছিলেন না। কিন্তু পররাষ্ট্র দফতর এবং মন্ত্রীরা তাকে বোঝাতে সক্ষম হন যে, মিসরের উপহার ফিরিয়ে দেয়া ঠিক হবে না।

এই ট্যাংকগুলো নিয়ে আসার জন্য তৎকালীন সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল মিসর সফরে যায়। ১৯৭৪ সালের জুন মাস নাগাদ এসব ট্যাংক বাংলাদেশে আসে।

তখন ঢাকা ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন, মইনুল হোসেন চৌধুরী, যিনি মেজর জেনারেল হিসেবে অবসর নিয়েছেন এবং ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন। ২০১০ সালে জেনারেল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেন।

তার লেখা ‘এক জেনারেলের নীরব সাক্ষ্য : স্বাধীনতার প্রথম দশক’ বইতে মিসরের উপহার দেয়া ট্যাংক সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে।

জেনারেল মইনুল লিখেছেন, তিনি শেখ মুজিবের কাছে মতামত দিয়েছিলেন যে, মিসর থেকে দেয়া ট্যাংকগুলো ঢাকায় রাখার প্রয়োজন নেই এবং প্রশিক্ষণ দেবার সুযোগ-সুবিধা নেই।

‘একদিন কথা প্রসঙ্গে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্যাংকগুলোকে উত্তরবঙ্গের রংপুর সেনানিবাসে পাঠানোর প্রস্তাব করি। ..কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আমার কথার কোনো গুরুত্ব দেননি। দুঃখজনক হলেও সত্যি, ১৯৭৫ সালে মুজিব হত্যার সময় ওই ট্যাংকগুলোই ব্যবহার করা হয়েছিল।’

মুজিব হত্যাকাণ্ড মিসরের দেয়া ট্যাঙ্ক
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর চারটার দিকে ঘাতক ফারুক রহমানের সহযোগী এবং অনুগত সৈন্যরা পরিকল্পনা অনুযায়ী সংগঠিত হতে লাগলো।

ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে রাতের আঁধারে এতো বড় ধরণের প্রস্তুতি গোয়েন্দারা টের পায়নি কেন সেটি আজও এক বিরাট প্রশ্ন।

জড়ো হওয়ার আধাঘণ্টার মধ্যেই ফারুক রহমান তার বাহিনী নিয়ে যাত্রা শুরু করলো।

সাংবাদিক অ্যন্থনী মাসকারেনহাস-এর বর্ণনা অনুযায়ী গন্তব্যের পথে ফারুক ক্যান্টনমেন্টের গোলাবারুদের সাব-ডিপোর সামনে থামলো।

সে ধারণা করেছিল সেখানে ট্যাংকের গোলাবারুদ এবং মেশিনগানের কিছু বুলেট পাওয়া যাবে। কামানের ব্যারেলের ধাক্কায় ডিপোর দরজা খোলা হলো।

কিন্তু সেখানে গোলাবারুদ বা মেশিনগানের বুলেট কিছুই পাওয়া যায়নি।

মাসকারেনহাস লিখেছেন, ‘সুতরাং ধোঁকা দিয়ে কার্যসিদ্ধি করা ছাড়া আর কোনো গতি রইলো না।’

ফারুকের ট্যাংক বহর যখন এগিয়ে যাচ্ছিল তখন ৪র্থ এবং ১ম বেঙ্গল পদাতিক বাহিনীর একদল সৈন্যের সাথে তাদের দেখা হলো।

এ সময়ে তারা প্রাতঃকালীন পিটি করতে বের হয়েছিল। কিন্তু ফারুকের নেতৃত্বে ট্যাংক বহর প্রশিক্ষণ এলাকা ছাড়িয়ে শহরের মূল সড়কের দিকে গেলেও কারো মনে কোনো প্রশ্ন জাগেনি।

ফারুক রহমানসহ ঘাতকদের মনে তৎকালীন রক্ষীবাহিনী নিয়ে উদ্বেগ ছিল। তারা ভেবেছিল, মুজিবকে হত্যা করতে গেলে রক্ষীবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রতিরোধ আসতে পারে।

সেজন্য ক্যান্টনমেন্ট থেকে ট্যাংকের বহর নিয়ে বের হয়ে ফারুক রহমান গিয়েছিল শেরে বাংলা নগরে রক্ষীবাহিনীর সদর দফতরে। আরেকটি দল গিয়েছিল শেখ মুজিব, শেখ ফজলুল হক মনি এবং আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়িতে।

তখন রক্ষীবাহিনীর উপ-পরিচালক ছিলেন আনোয়ার উল আলম। ২০১৩ সালে তার লেখা ‘রক্ষী বাহিনীর সত্য-মিথ্যা’ বই প্রকাশিত হয়।

সে বইতে তিনি লিখেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোররাতে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের টেলিফোনে তার ঘুম ভাঙ্গে।

শেখ মুজিবুর রহমান তাকে বলেন, ‘শহীদ, মনির (শেখ মনির) বাসায় কালো পোশাক পরা কারা যেন অ্যাটাক করেছে। দেখ তো কী করা যায়?’

এরপর বিভিন্ন মারফত তিনি জানতে পারেন, রাষ্ট্রপতির বাসায় হামলা হয়েছে। তার বাড়ির পাশেও একটি গোলা এসে পড়ে।

আনোয়ার উল আলম লিখেছেন, ‘ঢাকা বিমানবন্দরের দেয়াল ভেঙ্গে কয়েকটি ট্যাংক রক্ষী বাহিনীর প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছে। আমরা বুঝতে পারি, সেনাবাহিনীর একটি অংশ বিদ্রোহ করেছে এবং তারাই অভ্যুত্থান সংগঠিত করছে।’

‘আমরা সঙ্গে সঙ্গে রক্ষীবাহিনীর সবাইকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিই। সরোয়ার (তৎকালীন রক্ষীবাহিনীর উপ-পরিচালক) দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে রক্ষীবাহিনীর সদস্যদের তৈরি থাকতে বলেন।’

আনোয়ার উল আলমের বর্ণনা অনুযায়ী- ঢাকায় প্রতিরোধ গড়ার মতো কোনো শক্তি রক্ষীবাহিনীর ছিল না।

ট্যাংক নিয়ে ধোঁকা দিয়েছিল ফারুক রহমান
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ব্রিগেড হেডকোয়ার্টারে কর্নেল সাফায়াত জামিলের রুমে আসেন সাখাওয়াত হোসেন।

সাখাওয়াত হোসেন পরবর্তীতে ব্রিগেডিয়ার হিসেবে অবসর নেন এবং ২০০৭ সালে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন তার ‘বাংলাদেশ : রক্তাক্ত অধ্যায় ১৯৭৫-৮১’ বইতে।

ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত লিখেছেন, সেখানে কিছুক্ষণ পরে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ এবং তার একটু পরে মেজর ফারুক রহমান (হত্যাকারী) আসেন।

ট্যাংকের কালো পোশাক পরিহিত অবস্থায় মেজর ফারুক সে রুমে প্রবেশ করেন। মেজর ফারুক তখন বলেন, তার ট্যাংকে কোনো গোলাবারুদ নেই।

ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত লিখেছেন, ‘এই প্রথম আমি জানলাম যে, ফারুকের কোনো ট্যাংকেরই মেইন গানের কোনো গোলাবারুদ রাতের অভিযানের সময় এবং প্রায় সকাল ১০টা পর্যন্ত ছিল না। …. ফারুক আরো জানালো, গোলাবারুদ না থাকা সত্ত্বেও তারা খালি ট্যাংক নিয়ে সকলকে, এমনকি রক্ষীবাহিনীকেও ফাঁকি দিতে পেরেছে।’

‘১৫ আগস্টে যখন বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হামলা করা হয় তখন ফারুক দুটো ট্যাংক নিয়ে শেরেবাংলা নগরে রক্ষীবাহিনী হেডকোয়ার্টার ঘিরে ফেলে এবং সেখানে উপস্থিত ব্যাটালিয়নকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে।’

শেখ মুজিবকে হত্যা জন্য ফারুক রহমান যেসব ট্যাঙ্ক নিয়ে রাস্তায় বের হয়েছিলেন সেগুলোতে কোনো গোলাবারুদ ছিল না। সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের বইতেও এ তথ্য উঠে এসেছে।

মাসকারেনহাস ঘাতক ফারুক রহমানের সাক্ষাৎকারও নিয়েছিলেন।

তার সাথে কথোপকথনের ভিত্তিতে মাসকারেনহাস লিখেছেন, ‘ফারুক আমাকে পরে জানিয়েছিল, মনস্তাত্ত্বিক অস্ত্র হিসেবে ট্যাংকগুলো যে কতটা কার্যকরী তা খুব কম লোকই জানে। ট্যাংক দেখে জীবনের ভয়ে পালাবার চেষ্টা করবে না, এমন সাহসী লোক খুব কম পাওয়া যাবে।’

ফারুক যখন ট্যাংক নিয়ে রক্ষীবাহিনীর সদর দফতরের দিকে যাচ্ছিল তখন তার মনেও সন্দেহ এবং উদ্বেগ ছিল।

যেহেতু ট্যাংকে কোনো গোলাবারুদ ছিল না, সেজন্য ফারুক রহমার তার সহযোগীদের বলেছিল চোখে মুখে সাহসী ভাব ফুটিয়ে রাখতে।

অ্যান্থনী মাসকারেনহাসকে ফারুক রহমান বলেন, ‘আমরা যখন ওদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন রক্ষীবাহিনীর লোকেরা অবাক হয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে দেখছিল। আমরা তাদের দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে ছিলাম। সে ছিলো এক ভয়ঙ্কর অবস্থা। আমি ড্রাইভারকে বললাম, ওরা যদি কিছু করতে শুরু করে, দেরি না করে তাদের উপরেই ট্যাংক চালিয়ে দেবে।’

‘তার আর দরকার হয়নি।…নিজেদের সামনে হঠাৎ ট্যাঙ্ক দেখে, ওরা গায়ের মশা পর্যন্ত নাড়াবার সাহস পেল না।’

অ্যান্থনী মাসকারেনহাসের সাথে সাক্ষাৎকারে ফারুক রহমান স্বীকার করেন, ওই অবস্থায় কেউ যদি তাকে সত্যিকারভাবে প্রতিরোধ করতে চাইতো, তাহলে তার কিছুই করার থাকতো না।

সূত্র : বিবিসি

 

সর্বশেষ সংবাদ

বিএনপির বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তারেক রহমান

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি – দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনে...

নমুনা ব্যালটসহ ভোট কেন্দ্র থেকে আটক বিএনপি নেতাকে তিন বছরের কারাদণ্ড

বিশেষ প্রতিনিধি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ভোট কেন্দ্রে নমুনা ব্যালটসহ আটক উপজেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক সুকুমার দাস বাবুকে (৪৮) সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালত তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও...

তারেক রহমানের পরিবার ভোট দিয়েছেন ঢাকা-১৭ কেন্দ্রে

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বৃহস্পতিবার...

রাজধানীতে ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি – আজ সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ। ২৯৯ আসনে একটানা...

ভোট দিলেন প্রধান উপদেষ্টা, গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে

অনলাইন ডেস্ক ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর...

জনপ্রিয় সংবাদ

বয়সের ভারেও ভোটের অধিকার প্রয়োগ করলেন সত্তোর বছরের বৃদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট নগরীর তাঁতিপাড়াস্থ এইডেড হাইস্কুলের ভোটকেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সত্তোর বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বয়সের ভারে নিজে একা চলাফেরা...

শারীরিক প্রতিবন্ধী ষাটোর্ধ্ব কাদির মিয়ার নজিরবাহী ভোটদান

নিজস্ব প্রতিবেদক  ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি: রাজধানীর সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কাওলা গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী ষাটোর্ধ্ব কাদির মিয়া। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায়...

বিএনপির বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তারেক রহমান

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি – দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী তারেক...

সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা  খুলনা-২ আসনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই সোনাডাঙ্গার তালিমুল মিল্লাত মাদ্রাসা...