অনলাইন প্রতিবেদক

বিনোদন অঙ্গনে চেহারার সৌন্দর্য ধরে রাখতে প্লাস্টিক সার্জারি ও বিভিন্ন অ্যাস্থেটিক ট্রিটমেন্ট এখন অনেকটাই সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী তমা মির্জা। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ বিষয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
অনুষ্ঠানে তমা মির্জা বলেন, বর্তমানে যেসব অভিনেত্রীর সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে, তাদের অধিকাংশই কোনো না কোনো অ্যাস্থেটিক ট্রিটমেন্ট বা কসমেটিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন যাদের মুভি রিলিজ হচ্ছে, তারা অধিকাংশই অ্যাস্থেটিক করে। একমাত্র পরীমণি ছাড়া সবার চেহারাই সার্জারি করা। ও একদম রিয়েল বিউটি।”
নিজের পরিবর্তনের বিষয়েও খোলামেলা ছিলেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে মানুষের চেহারায় স্বাভাবিক পরিবর্তন আসে, তবে কিছু পরিবর্তন স্পষ্টভাবেই বোঝা যায়। এ ধরনের ট্রিটমেন্ট বা সার্জারিকে তিনি নেতিবাচকভাবে দেখেন না বলেও জানান।
তমা মির্জার ভাষ্য, “আমি এটা অ্যাপ্রিশিয়েট করি। আমি মোটেও এটার বিপক্ষে নই। কিন্তু যারা বিভিন্ন পদ্ধতির সাহায্য নিয়েও বিষয়টি লুকাতে চায়, আমি তাদের বিপক্ষে। পনেরো বছর আগের আমি আর এখনের আমি’র মধ্যে পরিবর্তন তো থাকবেই।”
তিনি আরও বলেন, অনেকেই সমালোচনার ভয়ে এসব বিষয় অস্বীকার করেন, যা তার কাছে ভালো লাগে না। “অস্বীকার করার কিছু নেই। হয়তো কেউ বলবে আগে ভালো লাগতো, এখন লাগে না—এগুলো শুনতেই হবে,” যোগ করেন তিনি।
শুধু নারীরাই নন, বর্তমানে পুরুষরাও সৌন্দর্যচর্চার বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন বলেও মন্তব্য করেন তমা মির্জা। তার মতে, পুরুষরা এখন চুল ও দাড়ির ট্রিটমেন্ট, বোটক্স কিংবা মুখের দাগ দূর করার মতো বিভিন্ন কসমেটিক সেবাও নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, “পুরুষরাও এখন বিভিন্ন ট্রিটমেন্টে যাচ্ছেন। চুল-দাড়ি ঠিক করছেন, বোটক্স করছেন, মুখের স্পট রিমুভ করছেন। এগুলোকে খারাপ বলার কিছু নেই।”
তমা মির্জার এ মন্তব্য ঘিরে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার স্পষ্ট বক্তব্যের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ বিষয়টিকে বিতর্কিত হিসেবেও দেখছেন।


