মোংলা প্রতিনিধি

সুন্দরবনে দস্যু দমনের জন্য নৌবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথবাহিনী Tuesday থেকে অভিযান শুরু করেছে। কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানিয়েছেন, “দস্যু নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।”
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “যেকোনো মূল্যে সুন্দরবনের দস্যুতা দমন করা হবে। জেলেদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এতে আগে, সুন্দরবনে দস্যুতা কমানোর লক্ষ্যে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার প্রশাসনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সুন্দরবনের দুবলার চরের ‘দুবলা ফিসারম্যান’ গ্রুপের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, “অভিযান চলমান থাকলে দস্যুতা কমবে এবং জেলেরা নির্বিঘ্নে মাছ আহরণ করতে পারবেন। পূর্ব ও পশ্চিম সুন্দরবনে অন্তত ১০-১২টি দস্যু বাহিনী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আলিফ বাহিনী সবচেয়ে বড়; তাদের কাছে ১০-১২টি অস্ত্র এবং ২০ জন সদস্য রয়েছে। তারা নিয়মিত জেলেদের অপহরণ করছে। বর্তমানে দস্যুদের হাতে ২২ জন জেলে জিম্মি রয়েছে, কেউ কেউ মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন।”
সুন্দরবনের দস্যু নির্মূল অভিযানকে স্থানীয় জেলেরা স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, এটি তাদের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।


