অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অকুতোভয় শহীদ ডা. শামসুল আলম মিলনের আত্মদান হারানো গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করেছিল। তাঁর আত্মদানের মধ্য দিয়ে ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চূড়ান্ত বিজয়ের পথে ধাবিত হয়।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, “স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ডা. মিলনের অহর্নিশ ত্যাগ ও আত্মদানের ইতিহাস বাংলাদেশের সংগ্রামী গণতন্ত্রের পথচলায় একটি মাইলফলক। তাঁর রক্তে সিক্ত হয়েছে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা। মিলনের আত্মদান আমাদের মনে করিয়ে দেয়—গণতন্ত্রের জন্য লড়াই কখনো ব্যর্থ হয় না।”
তিনি আরও বলেন, “আজ যখন গণতন্ত্র আবারও গভীর সংকটে, তখন শহীদ ডা. মিলনের আদর্শ ও আত্মত্যাগ আমাদের নতুন উৎসাহ এবং প্রেরণা জোগায়। তাঁর প্রাণদান জাতির চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করবে।”

বিবৃতিতে তারেক রহমান শহীদ ডা. মিলনের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশের সকল স্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন তৎকালীন গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ডা. শামসুল আলম মিলন। তাঁর শাহাদৎ গণআন্দোলনকে তীব্রতর করে এবং একই বছরের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


