নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম জেলায় সংসদীয় আসন সংখ্যা মোট ১৬টি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৯টি আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে। রাজধানীর বাংলামোটরের এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আজ বুধবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয়, অতীত কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় সমীকরণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এনসিপি মূলত স্থানীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, সাবেক সংগঠক এবং অন্য দল থেকে আসা নেতাদের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। মনোনয়ন পাওয়া দুজন প্রার্থী বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক কমিটিতে না থাকলেও তাদের ব্যক্তিগত পরিচিতি এবং অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডই তাদের মূল শক্তি বলে মনে করছেন এনসিপি নেতারা।
এদিকে চট্টগ্রামে এখনো ৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। ফলে বাকি আসনের জন্য দলটি কোন কৌশল গ্রহণ করবে এবং কোন নেতাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। এনসিপি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি আসনের প্রার্থীরা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ভোটার চাহিদা বিবেচনা করে নির্বাচিত করা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চট্টগ্রামে এনসিপির এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া মূলত স্থানীয় ব্যক্তিত্বকে গুরুত্ব দিয়ে দলের প্রভাব বাড়ানোর উদ্দেশ্য বহন করছে। যদিও কিছু প্রার্থী দলীয় রাজনীতিতে নতুন, তাদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ভোটের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নির্বাচন চলাকালে বাকি সাতটি আসনের প্রার্থী ঘোষণা ও রাজনৈতিক সমীকরণ ভোটারদের নজর কাড়বে, যা চট্টগ্রামে এনসিপির নির্বাচনী কৌশলকে আরও স্পষ্ট করবে।


