অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও তার অভ্যর্থনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জনদুর্ভোগের জন্য বিএনপি আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কারণে রাজধানীর স্বাভাবিক জনজীবনে যে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে, তা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ হিসেবে উল্লেখ করে দলটি গভীরভাবে মর্মাহত বলে জানিয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার তারেক রহমান সপরিবারে দেশে ফেরেন। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে সারা দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ ঢাকায় সমবেত হন। এতে রাজধানী কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয় এবং স্বাভাবিক জনজীবনে কষ্ট ও দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। বিএনপি এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগ ও অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দলের জন্য আবেগঘন হলেও এর ফলে রাজধানীবাসীর যে ভোগান্তি হয়েছে, তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ নির্বাসন শেষে বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। সেখান থেকে সরাসরি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যান। বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত প্রায় ৬.৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে তারেক রহমানের সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা।
পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফুট সড়ক) ছিল মানুষের ঢলে লোকারণ্য। সংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্যের পর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যান। নেতা-কর্মীদের ভিড় পেরিয়ে সংবর্ধনা মঞ্চ থেকে হাসপাতালে পৌঁছাতে তার সময় লাগে প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা। এরপর তিনি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় ফেরেন।
বিএনপি জানিয়েছে, এই বিপুল জনসমাগম দলের জন্য আবেগঘন হলেও রাজধানীবাসীর দুর্ভোগও তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দল ঘটনার সম্যক মূল্যায়ন করছে এবং জনজীবনের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে।


