অনলাইন ডেস্ক

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজন করা আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে প্রত্যাশা ও বার্তা প্রদান করেন।
তারেক রহমান বলেন, আসন্ন নির্বাচনের সময় গ্রামে-গঞ্জে, শহরে-নগরে, বাজারে-মহল্লায় এবং রাজপথে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্বাচনী মিছিলে তিনি জনগণের সঙ্গে থাকবেন। তিনি ইতিহাসের বিভিন্ন গণআন্দোলনের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে, জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিজয়কে কেউ থামাতে পারে না। তিনি আশ্বাস দেন, নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণকে ক্ষমতাবান করার পূর্বশর্ত হলো জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিতামূলক সরকার প্রতিষ্ঠা। তাই বিএনপি সবসময় দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে এসেছে।
তারেক রহমান বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো থেমে নেই। দেশের জনগণ স্বাক্ষী, নানা অজুহাত দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন শেষ পর্যন্ত জনগণের কাঙ্ক্ষিত জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। তিনি ওসমান হাদির উপর হামলাকে এ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, গণতন্ত্রকামী জনগণকে ভয় দেখাতে চাওয়া পক্ষ অবশ্যই ব্যর্থ হবে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সতর্ক করে বলেন, দেশি-বিদেশি অপশক্তি স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সময়ের সাথে তাদের রূপ পাল্টেছে, চরিত্র নয়। তিনি বলেন, আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীদের বাধা ব্যর্থ হবে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মিছিল অব্যাহত থাকবে।


