
অনলাইন ডেস্ক : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট আয়োজনের উদ্যোগ নিলেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বুধবার নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিক নির্বাচনি সংলাপের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় পর্বের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংলাপে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা বারবার গণভোটের প্রস্তুতি, সময়সূচি ও করণীয় নিয়ে জানতে চাইলে সিইসি বিষয়টির প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন।
সিইসি বলেন, “গণভোট আয়োজনের উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে এসেছে। তবে নির্বাচন কমিশন কোনো প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হতে পারবে কেবল তখনই, যখন এ সম্পর্কিত আইন বা অধ্যাদেশ জারি হবে। এখন পর্যন্ত অধ্যাদেশ না আসায় ইসি আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি নিতে পারছে না।”
তিনি জানান, গণভোট যদি একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়, তবে এর জন্য আলাদা ব্যালটপেপার, ব্যালটবক্স, গণনা–প্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণ এবং লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হবে। এসব বিষয়ে কমিশন প্রস্তুত থাকতে চায়, তবে আইনগত ভিত্তি ছাড়া এগোনো সম্ভব নয়।
সংলাপে অংশ নেওয়া কয়েকটি দল গণভোটের সম্ভাব্য প্রশ্ন, ভোটার ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এসব বিষয় সরকারের সিদ্ধান্ত ও আইনগত কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নানা প্রস্তুতি নিচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “গণভোটের আইনগত কাঠামো স্পষ্ট হলেই নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে।”
ইসির সংলাপের এ পর্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা নির্বাচনের পরিবেশ, আচরণবিধি, আইনশৃঙ্খলা এবং প্রক্রিয়াগত নানা বিষয় নিয়ে মতামত দেন।


