বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬

ঈমান ও মু’মিন কাকে বলে?

পাঠক প্রিয়

আলিয়ার ‘আলফা’ ট্রেলার ঘিরে বিতর্ক, হলিউড সিরিজ-সিনেমা থেকে ‘নকলের’ অভিযোগ

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী Alia Bhatt অভিনীত বহুল আলোচিত স্পাই থ্রিলার ছবি Alpha-এর ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে...

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমানের দুঃসাহসিক হামলা ইরানি পাইলটদের

অনলাইন ডেস্ক কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের বিমান বাহিনীর দুঃসাহসিক হামলার বিস্তারিত বর্ণনা প্রকাশ করেছেন অভিযানে অংশ নেওয়া...

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৬৯৯ হাজি, সৌদিতে মৃত্যু ৫২ বাংলাদেশির

ঢাকা, ১৮ জুন: পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১৪২টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৬৯৯...

শিক্ষার মানোন্নয়নে বাউবিতে কারিকুলাম উন্নয়নবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গাজীপুর প্রতিনিধি গাজীপুর, ১৮ জুন: শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, অংশীজনদের চাহিদা নির্ধারণ এবং যুগোপযোগী কারিকুলাম উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)...

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার : জিয়াউদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫...
মুহাম্মদ ইমদাদুল্লাহ বিন আব্দুল হাই (লিবিয়ানী)
কুফরকে অস্বীকার করার মাধ্যমে মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া  সাল্লাম যে বিধি বিধান বা শরীয়ত নিয়ে এসেছেন তার প্রতি ০১.অন্তরে বিশ্বাস, ০২.মৌখিক স্বীকৃতি এবং ০৩ শরীয়তের সেসব আহকাম আমলে রূপদান করাই হলো ঈমান। “যিনি নিঃসংকোচে তা সম্পন্ন করতে পারবেন তিনিই হলেন একজন মুসলমান।
আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী (রহঃ) বলেন, ঈমান হলো অন্তরের এমন একটি পর্যায়ের ক্রিয়া প্রক্রিয়া যা প্রত্যেকটি বিষয়ে ইসলামী শরীয়তের হুকুম আহকাম মেনে চলার আন্তরিক প্রতিজ্ঞা ও বাস্তবে গ্রহণ করে নেয়াকে বাধ্য করে।
কুফর ও কাফির কাকে বলে? কুফর অর্থ! কোন কিছুকে গোপন করা। শরীয়তের ভাষায় কুফর বলতে যা বুঝায় তা হলো দীনী বিষয়াদির অন্তর্ভুক্ত যে সব বিষয়কে অপরিহার্য অলঙ্ঘনীয়রূপে মেনে চলার জন্য নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপস্থাপন করেছেন সেগুলোর কোন বিষয়কে অস্বীকার করা বা মিথ্যা প্রতিপন্ন করা। অর্থাৎ ইসলাম বিরোধী কোন বিধানকে বিশ্বাস করা এবং নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আনীত বিধানের কোনটিকে অস্বীকার করা। যে ব্যক্তির দ্বারা এমন কাজ সংগঠিত হবে সে কাফির হয়ে যাবে। নাউজুবিল্লাহ
মুরতাদ কাকে বলে? ইসলামী শরীয়ত কর্তৃক দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত, অপরিহার্যভাবে মেনে চলার জন্য নির্ধারিত এক বা একাধিক বিষয়কে অস্বীকার করলে মুসলমান মুরতাদ হয়ে যায়। এ সম্পর্কে জগৎ বিখ্যাত মুহাদ্দিস আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী (র) তাঁর রচিত “ইকফারুল মুলহিদীন” গ্রন্থে লিখেছেন, যে ব্যক্তির ইসলামী শরীয়ত কর্তৃক অপরিহার্যরূপে মেনে চলার জন্য নির্ধারিত কোন একটি বিষয়কে অস্বীকার করলো বস্তুত সে আল্লাহর কিতাবের অংশ বিশেষের প্রতি ঈমান আনলো আর অস্বীকার করলো অংশ বিশেষকে এমতাবস্থায় সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত বলেই গণ্য হবে। *অর্থাৎ সে মুরতাদ হয়ে যাবে।
উদাহরণ স্বরূপঃ
(ক) নামায অস্বীকারকারী, যার সম্পর্কে আল্লামা আইনী বলেন, আর নামায অস্বীকৃতি সম্পর্কে ইসলামী আইন বেত্তাগণের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো “যে ব্যক্তি নামাযের অপরিহার্যতায় অস্বীকার প্রসূত নামায বর্জন করলো সে মুরতাদ”।
(খ) যাকাত অস্বীকারকারী, যাদেরকে স্বীয় খিলাফতকালে আবূ বাকার সিদ্দীক (রাঃ) মুরতাদ ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন।
(বুখারী- আধুনিক প্রকাশনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, ২৪৭ পৃষ্ঠা)।
যে সকল কুফরীর কারণে মুসলমান কাফির হয় এ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিসরে আরো স্পষ্টভাবে দলিল সহকারে সৌদি সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত “হাজ্জ ‘উমরাহ ও যিয়ারত নির্দেশিকা” নামক পুস্তকে (যা হাজীদের বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়) যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো:
১। যারা নিজেদের ও সৃষ্টিকর্তার মধ্যে মাধ্যম নির্বাচন করতঃ তাদেরকে আহ্বান করে এবং তাদের উপর ভরসা করে, তারা সর্বসম্মতিক্রমে কাফির হয়ে যায়।
২। যারা মুশরিকদেরকে কাফির মনে করে না বা তাদের কুফরীতে সন্দেহ পোষণ করে তাদের ধর্মকে সঠিক বলে বিশ্বাস করে তারা কাফির হয়ে যায়।
৩। যে ব্যক্তি তাগুতের (আল্লাহদ্রোহী শক্তি) হুকুমকে নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হুকুম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর মনে করে, অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি এ বিশ্বাস পোষণ করে যে, নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পথ প্রদর্শন অপেক্ষা অন্যের পথ প্রদর্শন অধিকতর সঠিক অথবা অন্যের নির্দেশ নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নির্দেশ অপেক্ষা উন্নতর, সে ব্যক্তি কাফির।
এই জাতীয় আরও কিছু কুফরী, যেমন-
(ক) মানব রচিত বিধান ও নিয়ম পদ্ধতি ইসলামী শরীয়ত অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ বলে বিশ্বাস করা, অথবা এ কথা মনে করা যে, এই শতাব্দীতে ইসলামী বিধান যুগোপযোগী নয়, অথবা মনে করা যে, একমাত্র ইসলামই হচ্ছে মুসলমানদের পশ্চাদপদতার কারণ, অথবা মনে করা যে, ধর্ম প্রভু পরওয়ারদেগার ও মানুষের মধ্যে একটি ব্যক্তিগত ব্যাপার। অন্যান্য ক্ষেত্রে ধর্মের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
(খ) আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক চোরের হাত কাটা অথবা বিবাহিত ব্যভিচারীকে প্রস্তর নিক্ষেপ করে হত্যা করা আধুনিককালে যুগোপযোগী ও যুক্তিসঙ্গত নয়; এরূপ ধারণা পোষণ করা।
(গ) এই আক্বীদা পোষণ করা যে, শরয়ী ব্যাপারে অথবা হুদুদ (শাস্তির নির্ধারিত সীমা) বা অন্যান্য ব্যাপারে আল্লাহর নাযিল করা বিধান ছাড়া বিচার ফায়সালা করা জায়িয; যদিও সে বিশ্বাস করে যে, তার ফায়সালা শরয়ী বিধান অপেক্ষা নিকৃষ্ট। কেননা এর ফল দাঁড়াবে এই যে, কখনো কখনো সে অবধারিত হারাম বস্তুকে হালাল মনে করে নিবে আর যারা নিশ্চিত হারাম বস্তু *যেমন- যিনা, মদ, খুন ইত্যাদিকে হালাল মনে করে নেয় তারা কাফির হয়ে যায়,* এতে সকল মুসলমান একমত।
৪। মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আনীত শরয়ী বিধানের কোন কিছুর প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তি কাফির যদিও সে উক্ত বিধানের উপর অসন্তুষ্ট চিত্তে ‘আমল করে। আল্লাহ তা’আলা বলেন, ذلِكَ بِأَنَّهُمْ كَرِهُوا مَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأَحْبَطَ أَعْمَالَهُمْ ﴾
“এটা এজন্য যে, আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তারা তা পছন্দ করে না। সুতরাং আল্লাহ তা’আলা তাদের কর্ম নিষ্ফল করে দেবেন।” (সূরা মুহাম্মাদ ১৯)
৫। শরীয়তে মুহাম্মাদীর কোন অনুশাসন অথবা তার জন্য নির্ধারিত *সাওয়াব বা শাস্তিকে যে বিদ্রূপ করবে,* সে আল্লাহ তা’আলার বাণী অনুযায়ী কাফির হয়ে যাবে। আল্লাহ তা’আলা বলেন, قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْرُونَ لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدُ إِيْمَانِكُمْ )
“তমি বল, তোমরা কি ঠাট্টা-তামাশা করছিলে আল্লাহ ও তাঁর আয়াতগুলো এবং তাঁর রসূল সম্বন্ধে? এখন আর কৈফিয়ত পেশ করো না। তোমরা নিজেদের ঈমান প্রকাশ করার পরও তো কফরী কাজে লিপ্ত ছিলে।” (সূরা আত-তাওবাহ ৬৫-৬৬)
৬। যাদু, যাদুর দ্বারা বিকর্ষণ করা, যেমন- কোন মানুষকে যাদুর দ্বারা তার প্রেয়সী স্ত্রীর প্রতি বিরাগভাজন করা। যাদুর আকর্ষণ; যেমন শয়তানী মন্ত্রণা দ্বারা অপছন্দনীয় কাজের প্রতি উৎসাহ প্রদান। সুতরাং যে ব্যক্তি এটা সম্পাদন করে অথবা এতে সন্তুষ্ট থাকে সে আল্লাহর কালাম অনুযায়ী কাফির হয়ে যায়। আল্লাহ তা’আলা বলেন,
وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّى يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ
“তারা কাউকে কিছু শিক্ষা দেয়ার পূর্বেই অবশ্য বলে দিত যে, আমরা পরীক্ষা স্বরূপ। সুতরাং তোমরা কুফরী করো না।” (সূরা আল-বাকারা ১০২)
৭। মুসলমানদের বিরুদ্ধে মুশরিকদেরকে সাহায্য করা।
আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,
وَمَنْ تَتَوَلَهُمْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِى القَوْمَ الظَّالِمِينَ )
“তোমাদের মধ্যে যারা তাদেরকে (ইহুদী খৃষ্টানদেরকে) অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করবে তারা তাদের মধ্যেই পরিগণিত হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা অত্যাচারী জাতিকে সঠিক পথপ্রদর্শন করেন না।”
(সূরা আল-মায়িদাহ ৫১)
৮। যদি কেউ বিশ্বাস পোষণ করে যে, মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিধান হতে বের হয়ে যাওয়া কোন কোন লোকের জন্য বৈধ, তবে সে কাফির হয়ে যাবে। আল্লাহ তা’আলা বলেন,
وَمَنْ تَبْتَغِ غَيْرُ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يَقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَسِرِينَ )
“কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দীনের আশ্রয় নিতে চাইলে তা কখনো কবুল করা হবে না এবং সে হবে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।”
(সূরা আল-ইমরান ৮৫)
৯। আল্লাহর দীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া অথবা যে সব বস্তু ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে না, সে সব বস্তু সম্পর্কে অনবহিত থাকা এবং তার উপর ‘আমল না করা।
আল্লাহ তা’আলা বলেন,
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذُكِرَ بِآيَاتِ رَبِّهِ ثُمَّ أَعْرَضَ عَنْهَا إِنَّا مِنَ الْمُجْرِمِينَ
مُنْتَقِمُونَ )
“যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের নির্দেশাবলীর মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে তা হতে মুখ ফিরায় তার অপেক্ষা অধিক সীমালঙ্ঘনকারী আর কে? আমি অপরাধীদেরকে শাস্তি দিয়ে থাকি।” (সূরা আস-সাজদা ২২)
আল্লাহ আরো বলেন,
وَالَّذِينَ كَفَرُوا عَمَّا أَنْذِرُوا مُعْرِضُونَ )
আর যারা সত্য প্রত্যাখ্যানকারী তাদেরকে যে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে তারা অবজ্ঞা ভরে অস্বীকার করে। (সূরা আহকাফ ৩)
ইচ্ছায় হোক, অনিচ্ছায় হোক, ভয়ে হোক- যদি কোন ব্যক্তি উল্লিখিত ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয়ের কোন একটি সম্পাদন করে, তবে সে কাফির হয়ে যাবে। হাঁ, যদি কোন ব্যক্তিকে জবরদস্তির মাধ্যমে উক্ত কাজ করানো হয়, তবে সে এই হুকুমের আওতায় পরবে না।
[দেখুন- হাজ্জ, উমরাহ ও যিয়ারত নির্দেশিকা। অনুচ্ছেদ- ইসলাম বিনষ্টকারী দশটি বস্তু। প্রকাশনা ও প্রচারে- প্রধান কার্যালয়; গবেষণা, ইফতা ও ইরশাদ বিভাগ, রিয়াদ, সৌদি আরব সরকার। ‘আল আক্বীদাতুস সহীহা’ প্রণেতা শায়খ আব্দুল আযীয আব্দুল্লাহ বিন বায (রহঃ)।
উপরের আলোচনা থেকে এ বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গেল যে, মু’মিন হওয়ার জন্য পরিপূর্ণ দীনের অপরিহার্য সব বিষয়ের প্রতি ঈমান আনা শর্ত। কিন্তু কাফির সাব্যস্ত হবার জন্য দীনের সব বিষয়াদির অস্বীকৃতি শর্ত ন্যায় বরং দীনের কোন একটি অকাট্য প্রমাণিত এবং সর্বজনবিদিত বিষয়ের সমূলে প্রত্যাখ্যান বা অস্বীকৃতি পাওয়া গেলেই কাফির সাব্যস্ত হবে।
যেহেতু ইবাদত কবুল হওয়া বা না হবার প্রশ্ন, তাই প্রয়োজনের তাগিদেই উপরোক্ত আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে। যাতে করে যাবতীয় কুফর হতে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রেখে ইবাদতগুলোর স্বার্থকরূপ দেয়া যায়।

সর্বশেষ সংবাদ

জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় আইটিএফসির দ্বারস্থ বাংলাদেশ, ২.৮ বিলিয়ন ডলার ঋণের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবারও আন্তর্জাতিক ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি)-এর সহায়তার দিকে ঝুঁকছে...

ডিএমপিতে দুই ডিসির রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) দুই উপ-পুলিশ কমিশনারকে (ডিসি) রদবদল করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট অ্যান্ড স্পেশাল কোর্ট সিকিউরিটি বিভাগ এবং সিটি-রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট...

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার : জিয়াউদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ দেওয়ার...

কাতারে আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাবে ইরান, দাবি পেজেশকিয়ানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান প্রাথমিক সমঝোতার অংশ হিসেবে কাতারের হেফাজতে থাকা ইরানের প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত আসবে বলে দাবি করেছেন দেশটির...

‘ফুটবলের জন্য অযোগ্য’ থেকে বিশ্বকাপের নায়ক, উন্দাভের অবিশ্বাস্য উত্থান

স্পোর্টস ডেস্ক একসময় যাকে ফুটবলের জন্য ‘অযোগ্য’ বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই ডেনিস উন্দাভ এখন বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত নাম। জীবনের নানা প্রতিকূলতা, আর্থিক সংকট ও...

জনপ্রিয় সংবাদ