
অনলাইন ডেস্ক : কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য আগামী ২০২৬ সালের ছুটির দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেছে। আজ রবিবার, বাংলাদেশ ব্যাংক (Department of Supervision)–এর অধীন বিভাগ এক সিদ্ধান্তে পৌঁছায় এবং তা সংশ্লিষ্ট সব শাখা-ব্যাংক এবং পরিচালনা-পর্ষদসহ নির্বাহী কর্মকর্তা-মণ্ডলীদের হস্তান্তর করেছে। উল্লেখ্য — আগামী বছর তফসিলি ব্যাংকগুলো মোট ২৮ দিন বন্ধ থাকবে।
-
সরকার ইতিমধ্যে আগামী বছরের জন্য সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন করেছে, যেখানে গ্রাহক-কার্যালয়, প্রশাসনিক ও সাধারণ ছুটিসহ সর্বমোট ২৮ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
-
এসব ছুটি তালিকা অনুসারে, তফসিলি ব্যাংকগুলোও তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখবে সেই নির্ধারিত দিনে।
-
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে অফিসিয়াল নোটিশ পাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজের নিজস্ব শাখা-কার্যালয়ে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতে পারে।
-
গ্রাহক-পরিসেবা: নির্ধারিত ছুটির দিনে শাখাগুলো বন্ধ থাকবে; গ্রাহকরা অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ ও এটিএম সেবা সাধারণভাবে চালু থাকবে, তবে শাখাস্বাস্থ্য কর্মকাণ্ড হবে সীমিত।
-
ব্যাংক পরিচালনায়: ব্যাংকসমূহকে পরিকল্পনা মতে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে—ব্যাংকিং লেনদেন, চেক ক্লিয়ারিং, আইনি বিবরণ ইত্যাদিতে ছুটির প্রভাব বিবেচনায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
-
গ্রাহক সচেতনতাঃ ব্যাংক গ্রাহকদের কাছে আগাম বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে যাতে তারা গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনসমূহ নির্ধারিত দিনের আগেই সেরে ফেলতে পারেন।
-
ছুটির তালিকা চূড়ান্ত হলেও কোন ধর্মীয় উৎসব বা চাঁদ দেখা-নজর অনুযায়ী কিছু তারিখ পরিবর্তন হতে পারে, ব্যাংকিং বিভাগ সে জায়গায় নমনীয়তা রাখার সুপারিশ করেছে।
-
ব্যাংকিং সেক্টরের অন্যান্য কর্পোরেট-প্রবিধান, চেক ক্লিয়ারিং সময়সূচি বা লেনদেন শর্তায়ীতি পরিবর্তন না হলে পরিবর্তনগুলোর জন্য ব্যাংক-গ্রাহকরা নিজ নিজ শাখার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।
ব্যাংকিং খাতের জন্য এটি একটি প্রস্তুতির সংকেত—২০২৬ সালে সুদ-লাভ, লেনদেন পরিকল্পনা ও গ্রাহক সেবায় প্রভাব পড়তে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-মণ্ডলী এবং গ্রাহক উভয়কে সময়মতো প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে।


