শনিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫

শেখ হাসিনা পালায় না !!!

পাঠক প্রিয়

ক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্ব লাভের মাধ্যম ‘ট্রাম্প গোল্ড ভিসা’ কার্ড

অনলাইন ডেস্ক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের অধীনে “Trump Gold Card” নামে একটি নতুন ভিসা/ইমিগ্রেশন কর্মসূচি চালু করেছেন, যা...

বিভাজন ও বিভক্তির রাজনীতি দেশের অস্তিত্ব বিনাশ করতে পারে : তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক  দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার...

ওসমান হাদির ওপর হামলা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত আঘাত: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

বাসস ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে অন্যতম উদ্বেগজনক...

নির্বাচন বানচাল করার সকল চক্রান্ত রুখে দেওয়া হবে : প্রেস সচিব

অনলাইন ডেস্ক সুরেশ্বর, শরীয়তপুর: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বানচাল করার মতো কোনো শক্তি...

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ব্যবসায় জড়িত আরও ৬ জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক ভেনেজুয়েলার সঙ্গে জ্বালানি ব্যবসায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আরও ছয়টি জাহাজের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট...

জনরোষের মুখে শুধু পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার ঘটনা মানতে পারছেন না আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও মন্ত্রীরা। তারা বলছেন, তিনি দেশ ছেড়ে যদি যাবেনই, তাহলে শেষ মুহূর্তে দলের নেতা-কর্মীদের কেন আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি দাঁড় করালেন?

—— লিখেছেন সৈয়দ আশিকুজ্জামান আশিক

১৯৮১ সাল থেকে কতজন অকাতরে জীবন দিয়েছেন। অঙ্গ হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। আরও কত ধরনের সেক্রিফাইস! কিংবা তার নির্দেশে পুলিশসহ নিরাপত্তাবাহিনী এবং জীবন দিতে প্রস্তুতেরা পাখির মত নির্বিচারে গুলি করে, কুপিয়ে, পিটিয়ে, নির্মম নির্যাতন করে মানুষ খুন করেছে। ঘরের ভেতরে-ছাদে খেলারত শিশুও রেহাই পায়নি। সেই নেত্রী কিনা নিজের ও পরিবারের জীবন বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালালেন! অথচ এই তো সেদিন, কয়েকদিন আগেও বললেন, “শেখ হাসিনা পালায় না।”

তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দর ত্যাগে কত তাড়াহুড়ো ছিল তার। নিজের জীবনের মায়া থাকলেও তিনি পুলিশ-আর্মিকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করাতে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছেন। তার ওই চেষ্টা সফল হলে কী হতো? আরও কিছু মানুষ মারা যেত। তাদের মধ্যে সাধারণ মানুষ, পুলিশ বা আর্মি সদস্য থাকতে পারতেন। যদিও তাতে বিজয় ছিনতাই হতো না, বিলম্বিত হতো। আর তেমনটি ঘটলে হয়তো শেখ হাসিনার সুস্থভাবে প্রস্থান ঘটতো না। তার শুভকাঙ্ক্ষিরা একপ্রকার জোর করেই তাকে পদত্যাগ করিয়েছেন। এরমাধ্যমে প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। আর যা হয়েছে সেটা হচ্ছে, সশস্ত্রবাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে।

আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনা চেয়েছিলেন আওয়ামী লীগ যারা করেন না বা ভিন্নমতের যারা আছে তাদের নিশ্চিহ্ন করতে। কেবল প্রাণনাশ নয়, আর্থিক, সামাজিক, ধর্মীয় সবভাবে ভিন্নমতের লোকদের নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলেন। তিনি সমাজে একটা ভয়ঙ্কর racism সৃষ্টি করেছিলেন। আওয়ামী লীগ বা তার সঙ্গে থাকা বামপন্থিদের আদর্শের বাইরে যারা ছিলেন তাদের সঙ্গে চরম বর্ণবাদী আচরণ করা হয়। নামাজ পড়তে গেলে জামায়াত-শিবির আখ্যা দিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করে কাউকে খুন আবার কাউকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তাকে শহীদ আবরারের ভাগ্যবরণ করতে হয়েছে। খালেদা জিয়ার মতো একজন সংবেদনশীল ও নির্ভরশীল জাতীয় নেত্রীকে বানোয়াট অপরাধে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ড. ইউনূসের অপরাধ হচ্ছে, তিনি নোবেল জয় করেছেন এবং শেখ হাসিনা বা তার বাবার চেয়ে বিশ্বে বেশি জনপ্রিয় ও পরিচিত। এমনি নানান দৃষ্টান্ত দেওয়া যাবে। যার সবকিছু রেশিয়াল আচরণের পরিচায়ক।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে ‘রেসিজম কী। যদি সার্চ ইঞ্জিন গুগলকে জিজ্ঞেস করি তাহলে উত্তর পাবো: Racism is the process by which systems and policies, actions and attitudes create inequitable opportunities and outcomes for people based on race.

আবার এই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যেহেতু শহীদদের বেশিরভাগ তরুণ এবং ছাত্রছাত্রী। মেধাবী প্রজন্ম। পরবর্তী অ্যাকশনগুলোর টার্গেটও ছিল শিক্ষার্থীরা। তাই এই ঘটনাকে যদি গণহত্যা বলতে না চাই, তাহলে একে “মেরিটোসাইড” বলা খুবই উপযুক্ত। এটা জেনোসাইডের বিকল্প শব্দ; কেননা, মেধাবীদের কেবল চাকরিবঞ্চিত করার পদক্ষেপ হিসেবে কোটার মাধ্যমে মেধা খেয়ে ফেলার ব্যবস্থাই নেননি, সর্বশেষ আন্দোলনে নির্বিচারে খুন করা হয়েছে।

ওপরে বর্ণিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বলতে পারি, শেখ হাসিনা ১৬ বছরের শাসনামলে নীতি-কৌশল, কাজ, দৃষ্টিভঙ্গি সব দিয়েই তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের প্রতি সদয় ছিলেন এবং বাকিদের কোনো ক্ষেত্রে অধিকার ছিল না। সবাইকে দেশের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করেছেন। এই ১৬ বছরে অন্তত চারবার বড় ধরনের হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছেন দেশে। অসংখ্য মানুষকে গুম করেছেন। গুম থেকে অনেকেই ফেরত আসেনি। অনেককে কবর পর্যন্ত দিতে পারেননি সন্তান-পরিবার। এক কথায় তিনি যা করেছেন তা রেশিয়াল দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। সুতরাং, ১৬ বছরে তার চার দফা হত্যাযজ্ঞকে চারটি গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করা যায়। এই চারটির মধ্যে আছে : মাওলানা সাঈদীর রায়ের পর একদিনে শতাধিক নাগরিককে খুন, শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের আলেম ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের খুন ও লাশ গায়েব, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে-পরে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের খুন-গুম এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে খুন-গুম। ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি বাঙালির সূর্য সন্তান বজলুল হুদার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। বাঙালির সূর্য সন্তান মেজর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ বজলুর হুদার পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৮ জানুয়ারী ২০১০ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে শেখ হাসিনা তাকে নিজ হাতে গলা কেটে হত্যা করেন। ২০২৪ সালে হুদার পরিবার শেখ হাসিনাসহ আরো কয়েকজনকে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা করেন।বজলুল হুদা ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ফ্রীডম পার্টির হয়ে মেহেরপুর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

জনরোষের মুখে শুধু পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার ঘটনা মানতে পারছেন না আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও মন্ত্রীরা। তারা বলছেন, তিনি দেশ ছেড়ে যদি যাবেনই, তাহলে শেষ মুহূর্তে দলের নেতা-কর্মীদের কেন আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি দাঁড় করালেন?

এই যে গণহত্যা তা তিনি সরকারি বাহিনী আর দলীয় হেলমেটবাহিনী দিয়ে করিয়েছেন। সরকারিবাহিনীতে দু’ধরনের লোকেরা গণহত্যায় হুকুম তামিল করেছেন শেখ হাসিনার। এক ধরনের হচ্ছে হারুন-বিপ্লবদের মত দলীয় ক্যাডাররা। আরেক ধরনের হচ্ছে সরকারের কাছ থেকে সুবিধা আদায়ের বিনিময়ে। এছাড়া দেশের পুরনো দল হিসেবে আওয়ামী লীগের আদর্শে অনুপ্রাণিত গোষ্ঠী আছে। যেই গোষ্ঠী তারা সুশীলসমাজে থাকুক আর নানান পেশায়- তারা চরম প্রতিক্রিয়াশীল। টকশোতে শাজাহান খান বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিঞার চোখ তুলে নিতে চেয়েছিলেন। অর্থ্যাৎ, শেখ হাসিনার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে খুনি-সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। তারা নেত্রীর প্রতি এমনই মোহান্ধ ছিলেন যে, তার জন্য জীবন দিতে ও নিতে প্রস্তুত ছিলেন।

অথচ জীবনের মায়ায় তিনি নিজেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন। আর প্রাণহানির শঙ্কার মধ্যে রেখে গেলেন আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মীদের।

যেই নেত্রীর নামে কটুভাষায় একটি রাজনৈতিক স্লোগান দিলেও তার হেলমেটবাহিনী পারলে বিরোধী-সমালোচকদের জিভ টেনে ছিঁড়ে ফেলতেন, অথচ এখন তারাই তার সমালোচনা করছেন। একদিন যেহেতু, আপনারাই আপনাদের স্বপ্নের নেত্রীর সমালোচনা করবেন তাহলে রাজনৈতিক বক্তব্য, বিবৃতি ও স্লোগান কেন আপনারা সহ্য করেননি? একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বক্তব্য প্রকাশ-প্রচারে পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করিয়েছেন আদালতের মাধ্যমে! ফেসবুকে , অসংখ্য মানুষ পোস্ট দিয়েছিল যে, আপনার নেতা-নেত্রীরা কিন্তু পালাবে। তাদের পালাবার জায়গা আছে। আপনি পালাবেন কোথায়? তাই সাধারণ মানুষের ওপর হামলার আগে ভাবুন। কিন্তু নেত্রীর নির্দেশে তারা এতটাই উজ্জীবিত ছিলেন যে, দিনে-দুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় মানুষের জীবন নিতে কুণ্ঠিত হয়নি। মেরে লাশের ওপর উন্মত্ত নৃত্য করার দৃশ্য আপনারা নিশ্চয়ই ভোলেননি। নিশ্চয়ই ভোলেননি পিলখানা থেকে আর্তচিৎকার করে বাঁচানোর অনুরোধ করা সত্ত্বেও আর্মিকে অ্যাকশন চালাতে না দেওয়ার কথা। এ প্রসঙ্গে আমি অবশ্যই ধন্যবাদ দেবো ও কৃতজ্ঞতা জানাবো বাংলাদেশ আর্মির মধ্য ও জুনিয়র কর্মকর্তাদের প্রতি। তারা তাদের বসদের স্রেফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা জনতার ওপর গুলি চালাতে পারবেন না। এরপর চাপে পড়ে বসেরা রণে ভঙ্গ দেন ও শেখ হাসিনার সঙ্গ ত্যাগ করেন। এজন্য অবশ্য সোমবার শেষমুহূর্তেও যখন শেখ হাসিনা রক্ত পান করতে চেয়েছিলেন, তখন তারা বকাঝকা খাওয়া সত্ত্বেও অ্যাকশনে না যাওয়ার কথা সাফ জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনা যাতে পদত্যাগ করেন সেজন্য শেখ রেহানা, দরবেশ বাবাসহ অন্যদের বোঝাতে অনুরোধ করেন। এমনকি সজীব ওয়াজেদ জয়কে নক করেন। আর শেষ পর্যন্ত, ‘জনতা ৪৫ মিনিটের মধ্যে গণভবনে ঢুকে যাবে’—বলার পর তিনি পদত্যাগে রাজি হন। কিন্তু “শেখ হাসিনা পালায় না”— এমন কথা যে তার প্রতারণা ও চাতুর্যপূর্ণ ছিল, তা প্রমাণ করে তড়িঘড়ি দেশত্যাগ করেন আর লাখ লাখ কর্মী-সমর্থকদের রেখে যান মৃত্যু ঝুঁকিতে। আবার তিনি এমন দম্ভোক্তিও করেছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে “সাহস থাকলে দেশে আয়।আবার পাগল যে কখন কী করে তার কোনো ঠিক-ঠিকানা থাকে না। হাসিনার ক্ষেত্রেও তাই। লম্ফ-ঝম্ফ-দম্ভ করে তিনি পালিয়ে গেলেন। এরপর ছেলেকে দিয়ে বলালেন, “মা আর রাজনীতি করবেন না।” পদত্যাগ  করেননি।

কারণ, তিনি বুঝে গেছেন, এই লাখ লাখ কর্মীর আনুগত্য যেমন তিনি হারিয়ে ফেলেছেন, তেমনি তিনি জীবদ্দশায়ই পার্টিকে কবর দিয়ে ফেলেছেন। তার ক্ষমতার ওপর ভর করে যে গোষ্ঠী তৈরি হছে, তারা কেবল ক্ষমতার হালুয়া-রুটি ভক্ষণে। যে চাটুকার গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তারা তাকে ডুবিয়েছেনই, সুপরামর্শ দেননি। সর্বশেষ চাটুকারিতায় উদ্বেলিত হয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি কট অ্যান্ড বোল্ডআউট হলেন।

লেখক গবেষক ও কলামিস্ট, বায়োইনফরমেটিক্স রিসার্চ ল্যাব, সেন্টার ফর রিসার্চ ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিআরআইডি)

সর্বশেষ সংবাদ

ইরান অবৈধভাবে জ্বালানি পাচারকারী জাহাজ আটক করেছে

অনলাইন ডেস্ক ওমান উপসাগর, ১২ ডিসেম্বর: ইরান শুক্রবার রাতের দিকে ওমান উপসাগরের উপকূলে ৬০ লাখ লিটার ডিজেল বহনকারী একটি তেলের...

তারেক রহমান নিজ হাতে মনোনয়ন জমা দেবেন: আমীর খসরু

অনলাইন ডেস্ক চট্টগ্রাম, ১২ ডিসেম্বর: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজ হাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য...

প্রবাসীদের পোস্টাল ভোট নিবন্ধন ৩ লাখ ৪০ হাজার

অনলাইন ডেস্ক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ активно ব্যবহার করছেন। শনিবার বেলা ১০টা ২৫...

রাজনৈতিক দলগুলো সহিংসতায় লিপ্ত হলে নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে : বদিউল আলম মজুমদার

নিজস্ব প্রতিবেদক রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে শুক্রবার অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ আসন্ন নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশনের সংস্কার প্রসঙ্গে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সাবেক নির্বাচনব্যবস্থা...

বগুড়ায় শীতকালীন সবজির দাম কমেনি, ক্রেতাদের দুর্ভোগ চলছেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া বগুড়ার বিভিন্ন বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে। তবে দাম কমার বদলে অনেক সবজি আগের তুলনায় আরও দামি বিক্রি হচ্ছে। শুধু সবজি নয়,...

জনপ্রিয় সংবাদ

আসন্ন সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ‘জনতার দল’-এর ১২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা

অনলাইন প্রতিবেদক আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতার দল’। সংসদীয় মনোনয়ন ও দেশব্যাপী নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনার অংশ...

প্রবাসীদের পোস্টাল ভোট নিবন্ধন ৩ লাখ ৪০ হাজার

অনলাইন ডেস্ক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ активно ব্যবহার করছেন। শনিবার বেলা ১০টা ২৫...

ওসমান হাদির ওপর হামলা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত আঘাত: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

বাসস ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে অন্যতম উদ্বেগজনক ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধান...

বগুড়ায় শীতকালীন সবজির দাম কমেনি, ক্রেতাদের দুর্ভোগ চলছেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া বগুড়ার বিভিন্ন বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে। তবে দাম কমার বদলে অনেক সবজি আগের তুলনায় আরও দামি বিক্রি হচ্ছে। শুধু সবজি নয়,...