সোহানা খান

আমি অতি সাধারণ মানুষ। কোনো বিষয়েই উচ্চমার্গীয় জ্ঞান নেই। তাই বলে ইসলাম নিয়ে, সমাজতন্ত্র নিয়ে, গণতন্ত্র নিয়ে, সমাজের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে কথা বলতে পারব না সেটা কেমন কথা! আমার বক্তব্যে ত্রুটি থাকলে তা উল্লেখ করলে আমি নিজেকে সংশোধন করে নিব এবং আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। কিন্তু না, আমি যখন ইসলাম নিয়ে কথা বলি তখন এক শ্রেণির মানুষ আমার কথার গঠনমূলক সমালোচনা করতে না পেরে বলেন,
আপনি কি মাদ্রাসায় পড়েছেন, আরবি জানেন, হেদায়া কী, কুদুরি কী, নুরুল আনোয়ার পড়েছেন? বলেন তো সিগা কী, নাহু, সরফ জানেন কিনা, কয়টা তাফসির পড়েেছন, তাফসিরে জামাখশারি, তাফসিরে জালালাইন পড়েছেন ইত্যাদি ইত্যাদি।
ভুল যে ভুল সেটা বোঝার মত এলেম আল্লাহ আমার ভিতরে অবশ্যই দিয়েছেন। আল্লাহ যদি আমাকে এই এলেমটুকুও না দিয়ে থাকেন তবে তিনি হাশরের ময়দানে আমার বিচার করার অধিকার রাখেবেন কেন? খালি আলেমদের বিচার করলেই তো পারেন! আর আমরা অন্ধভাবে যারা যে আলেমের অনুসরণ করেছি তাদের সাথে সাথে জান্নাতে অথবা জাহান্নামে চলে যেতাম। ব্যস, লেঠা চুকে যেত।
আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই (প্রত্যেকের) কান, চক্ষু ও অন্তকরণ এগুলোর প্রত্যেকটির জন্য জবাবদিহি করতে হবে।” (বনী ইসরাইল-৩৬)। শুধু আলেমরা নয়, প্রত্যেকেই যার যার কৃতকর্ম ও বোধ-বুদ্ধির জন্য দায়ী থাকবে।


