অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে টানা রাজনৈতিক ও মানবিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করবেন। দলীয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। কবর জিয়ারত শেষে তিনি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন।
এরপর তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের খোঁজ নিতে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর), সাধারণভাবে পরিচিত পঙ্গু হাসপাতালে যাবেন। দলীয় সূত্র জানায়, আহতদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি তিনি তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে তারেক রহমান তার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন। জিয়া উদ্যানে অবস্থিত সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। দেশে ফেরার পর রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় তাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে ওই সংবর্ধনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সংবর্ধনা শেষে তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার অসুস্থ মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি গুলশানের বাসভবনে পৌঁছান।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দেশে ফেরার পর তারেক রহমানের ধারাবাহিক কর্মসূচি—শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, রাষ্ট্রীয় নাগরিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ এবং আন্দোলনে আহতদের খোঁজ নেওয়া—বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল ও সক্রিয় ভূমিকার স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।


