
মনে হয় হাতে একটা স্বচ্ছ জেলির বুদবুদ রাখা আছে অথচ আসলে সেটাই একজন নারীর ডিম্বাশয়ের ভেতর থেকে বের হওয়া ওভেরিয়ান সিস্ট।
নারীদের শরীরে এই সিস্টগুলো অনেকটা নীরব ঘাতকের মতো তৈরি হয়। শুরুতে হয়তো কোনো উপসর্গই থাকে না। কিন্তু একসময় নিচের পেটের ব্যথা মাসিকের অনিয়ম কিংবা ফাঁপা অস্বস্তি জানান দিতে শুরু করে। কারও ক্ষেত্রে হঠাৎ তীব্র ব্যথা দেখা দেয়। কারণ, সিস্ট ফেটে যায় বা পাক খেয়ে জরুরি অবস্থা তৈরি করে।
অনেকেই লজ্জা কিংবা অবহেলার কারণে বিষয়টা চেপে যান। ভাবেন, নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু দেরি করে ফেলার পরিণতি হয়ে দাঁড়ায় ভয়াবহ। কিছু ক্ষেত্রে এটি টিউমার এমনকি ক্যান্সারের ইঙ্গিতও হতে পারে।
ওভেরিয়ান সিস্ট সবসময় ক্ষতিকর নয়। ছোট সিস্ট নিজে নিজেই সেরে যায়। আবার কিছু সিস্ট ওষুধে নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে বড় হলে অস্ত্রোপচার ছাড়া উপায় থাকে না।
তাই নিয়মিত পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে বড় সচেতনতা। আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলে সহজেই ধরা পড়ে সময়মতো চিকিৎসা নিলে বিপদ এড়ানো যায়।
লজ্জা নয়, সচেতনতা জীবন বাঁচায় একজন নারী। সচেতন হলে বাঁচে পুরো পরিবার।
ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।


