অনলাইন ডেস্ক

ভারতের কাছে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হার—চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যাচ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে ক্রিকেটবিশ্বে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল-এর বিপক্ষে এটিই টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-এর সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। ম্যাচের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা, বয়কটের হুমকি এবং মাঠের বাইরের আলোচনার পর মাঠে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।
গত রোববার কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম-এ অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই ছন্দহীন ছিল পাকিস্তান। ম্যাচ শেষে দলীয় পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মহসিন নাকভি। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে দলীয় ম্যানেজারকে হতাশার কথা জানান বলে বার্তা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে।
ম্যাচের ফল প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর তিনি আগেভাগেই মাঠ ত্যাগ করেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তানের ক্রিকেট প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে এই হারকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অগ্রহণযোগ্য পারফরম্যান্স হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বয়কট ইস্যু ও অবস্থান পরিবর্তন
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তবে পরবর্তীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের আহ্বান এবং পাকিস্তান সরকারের অনুমতির পর সেই অবস্থান থেকে সরে আসে তারা।
ড্রেসিংরুমে হতাশা, দলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত
দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ড্রেসিংরুমে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান কোচ মাইক হেসন। তিনি জানান, খেলোয়াড়রা নিজেদের সামর্থ্যের পুরোটা দেখাতে পারেননি।
সূত্রের দাবি, নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দলে পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশ্রাম পেতে পারেন অধিনায়ক বাবর আজম এবং পেসার শাহিন আফ্রিদি। তাদের জায়গায় সুযোগ পেতে পারেন নাসিম শাহ এবং ব্যাটার ফখর জামান। এছাড়া স্কোয়াড বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় আছেন সালমান মির্জা।
সুপার এইট নিশ্চিত করতে কঠিন সমীকরণ
সুপার এইট পর্বে উঠতে হলে নামিবিয়ার বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই পাকিস্তানের সামনে। এর আগে তুলনামূলক দুর্বল দল যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডসকে হারালেও ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হার তাদের পয়েন্ট টেবিল ও নেট রানরেটে বড় চাপ তৈরি করেছে।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানকে টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে দ্রুত দলীয় ভারসাম্য এবং ব্যাটিং ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনতে হবে।


