অনলাইন ডেস্ক

আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চে মাঠে গড়ানোব্যাপী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক এক মাস আগে ভারতীয় ভিসা জটিলতার কারণে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পেসার আলী খান নিজেই ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন যে, ভারত থেকে তার ভিসা মেলেনি। তিনি লিখেছেন, “ভারতের ভিসা মেলেনি, কিন্তু কেএফসি জিতে গেছে।”
৩৫ বছর বয়সী এই পেসার পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ১৫টি ওয়ানডে ও ১৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত স্কোয়াড এখনও ঘোষণা হয়নি। খেলোয়াড় হিসাবে আলী খান দলের পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা হওয়ায় তার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য, আলী খান আইপিএলের কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতাও রাখেন।
তবে, ভারতের ভিসা জটিলতার বিষয়টি নতুন কিছু নয়। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত বা গ্রিন পাসপোর্টধারী ক্রিকেটাররা ভারত সফরে নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। ইতালি, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের দলে এমন খেলোয়াড় রয়েছেন। এই পাঁচ দেশের ক্রিকেট বোর্ড আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দিকনির্দেশনা চেয়েছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা আইসিসি বা বিসিসিআই থেকে কোনো স্পষ্ট উত্তর পাননি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্বকাপের আগে এই ধরনের ভিসা জটিলতা দল ও খেলোয়াড়ের প্রস্তুতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের জন্য ভারতীয় ভিসা জটিলতার বিষয়টি আগের আসরগুলোতেও বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করেছিল। এবার সেই উদ্বেগ নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণের সুযোগ এবং নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্তের মধ্যে সুসংগতির প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।


