অনলাইন ডেস্ক

গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোল্যুশন ২৮০৩-এর কাঠামোর আওতায় পাকিস্তান এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন গত সপ্তাহে বিশ্বের কয়েকটি দেশকে শান্তি পর্ষদ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। এই পর্ষদ মূলত যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার পুনর্গঠন ও শাসনব্যবস্থা তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করবে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে। খসড়া চার্টার অনুযায়ী, পর্ষদের কার্যক্রম কেবল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর ভূমিকা বিস্তৃত হতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসলামাবাদ আশা করছে—এই পর্ষদের মাধ্যমে গাজায় একটি স্থায়ী অস্ত্রবিরতি প্রতিষ্ঠা, মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং পুনর্গঠনের জন্য বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ফিলিস্তিনিদের স্বনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।
পাকিস্তান জানায়, এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও জাতিসংঘের প্রাসঙ্গিক রেজোল্যুশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, বুধবার ইসরায়েলও ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং বিশ্বনেতাদের নিয়ে গঠিত এই শান্তি পর্ষদের সদস্য হিসেবে যোগ দেবেন।
সূত্র: আনাদোলু, জিওনিউজ


