অনলাইন ডেস্ক

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার তিনটি আসনে তার বিকল্প হিসেবে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তারাই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত বা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। আইনে সে ধরনের কোনো বিধান নেই। তিনি জানান, মনোনয়ন বাছাই ও প্রতীক বরাদ্দের পর যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটত, তাহলে আইনগত জটিলতার কারণে নির্বাচন স্থগিতের প্রশ্ন উঠতে পারত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সে সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, “বাছাইয়ের আগেই তিনি (খালেদা জিয়া) মারা গেছেন। আইনগতভাবে, লিগ্যাল এন্টিটি হিসেবে তিনি আর বিদ্যমান নন। ফলে তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে টিকবে না। তবে তার পরিবর্তে যারা বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাদের মনোনয়ন যদি বৈধ হয়, তাহলে তারাই দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।”
নির্বাচন বাতিল বা পেছানোর প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আইনে নির্বাচন স্থগিত বা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই এবং নির্বাচন পেছানোরও কোনো বিধান নেই।
উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ আসন থেকে দলের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। তবে তার অসুস্থতার কারণে আগেই এসব আসনে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়ন দেয় বিএনপি। ফেনী-১ আসনে রফিকুল আলম মজনু, বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ আলম এবং দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে বিকল্প প্রার্থী করা হয়। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর এখন তারাই সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এদিকে, দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমান একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাকে শক্ত মনোবলের অধিকারী হতে হবে—এর কোনো বিকল্প নেই। যত শোকই থাকুক না কেন, জাতির স্বার্থে তাকে দৃঢ় থাকতে হবে।”


