সোহানা খান

কোন গরীব অসহায় নিরুপায় ক্ষুধার্তকে নেকী বা সোয়াব পাওয়ার লোভে সাহায্য করতে হবে কেন…?
বিবেকবোধ মানবিক শক্তি এবং মানুষ হিসেবে নৈতিক দায়িত্ব একজন ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া, আর্থিক সাহায্য করা।
কতটা হীনমন্য হলে একজন ক্ষুধার্ত মানুষকে খেতে দিয়েও সেখানে লাভ খুঁজা যায়, সুবিধা খুঁজতে যায়…?
নেকী বা সোয়াব কামানোর জন্য রয়েছে, গভীর রাতে নিরবে তাহাজ্জুদ নামাজ, বেশী বেশী নফল সালাত, রোজাসহ আরো অনেক কিছু।
সোয়াব পাওয়ার লোভে মোল্লাকে খাবার দিলে টাকা দিলে, সুন্দর জামা দিলে, তসবিহ দিলে, জায়নামাজ দিলে, আতর দিলে সোয়াব পাবার কোন নির্দেশনা কুরানে নেই। অথচ, অনেক বাংগালি নারীরা সোয়াব আর জান্নাতের লোভে মোল্লাকে নিজের শরীর পর্যন্ত দিয়ে দেয়, মোল্লার গোলামী করে জান্নাতের লোভে,যা ইসলামে হারাম এবং কুফর॥
এদেশের মানুষ সোয়াব আর জান্নাতের লোভে একজন ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবার দেওয়ার চাইতে একজন মোল্লাকে দামী খাবার খাইয়ে সন্তুষ্ট করতে বেশী তৎপর॥ সেই মোল্লা আপনার দামী খাবার খেয়ে ওভার ক্যালরীর যন্ত্রণায় আপনাদেরই কারো কিশোরী কন্যাকে ধর্ষন করে, আপনাদেরই কারো শিশু বাচ্চাকে বলৎকার করে, আপনার সুন্দরী স্ত্রীর দিকে কুনজর দিবে, এবং এমন ঘটনা আপনারা প্রতিদিন পেপার পত্রিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখতে পান।
অথচ আল্লাহ কুরানে বলেছেন, একজন ক্ষুধার্ত ব্যক্তি রেখে যেই ব্যক্তি নিজে খেয়ে রাতে ঘুমিয়ে পরলো, কাল কেয়ামতে উক্ত ব্যক্তির কোন আমলই কাজে আসবে না, তার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত রয়েছে॥
হয়তো সকল ধর্মেই এমন ধর্মযাজক রয়েছে যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে নিরীহ অনুসারীদেরকে শোষন করে অথবা শোষনের সুযোগ পেয়ে যায়। যেহেতু আমি মুসলিম ধর্মালম্বী তাই আমি আমার ধর্ম নিয়ে বেশি জানি এবং আমার ধর্মের যে বিষয়গুলি আমার দর্শনে দৃষ্টিকটু বা বানোয়াট বা অনুচিত বলে মনে হয়। আমার লেখায় আমি সেইগুলিই তুলে ধরি। অন্যান্য ধর্মালম্বির ভাইবোনেরা আপনার ধর্মের এমন দৃষ্টিকটু বিষয়গুলি তুলে ধরুন।
সংগৃহীত


