অনলাইন ডেস্ক

শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের আগে রাজধানী থেকে বাড়ি ফিরতে থাকা মানুষের চাপ কমেছে কমলাপুর রেলস্টেশনে। কয়েকদিনের তীব্র ভিড়ের পর এখন স্টেশনে স্বস্তির দৃশ্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যাত্রী সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় ট্রেন নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে এবং ভেতরে বসার সুবিধা যথেষ্ট রয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান জানান, শুক্রবার মোট ৫৪টি ট্রেন চলাচলের কথা ছিল, এর মধ্যে ৪৩টি আন্তঃনগর ট্রেন। সকাল পর্যন্ত ২৫টি ট্রেন নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, বগুড়ার সান্তাহার এলাকায় সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার কারণে গত দু’দিন কিছুটা শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল, তবে এখন তা পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা গেছে।
টিকিট বিক্রি না হওয়ায় হিমসাগর এক্সপ্রেসসহ কুড়িগ্রাম ও বেনাপোলগামী তিনটি ট্রেন শুক্রবার বন্ধ রাখা হয়েছে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, ১৮ ও ১৯ মার্চ ছিল ঈদযাত্রার সবচেয়ে চাপের সময়। এখন যাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়ায় ভ্রমণ অনেক স্বস্তিদায়ক হচ্ছে।
কমলাপুর রেলস্টেশনে দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের এসআই আজহারুল ইসলাম বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। ছাদে যাত্রী ওঠা রোধ করতে যে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেটিও এখন আর প্রয়োজন হচ্ছে না।
যাত্রীদের মধ্যেও স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের এক যাত্রী বলেন, “দু’দিন আগে এলে হয়তো উঠতেই পারতাম না। আজ খুব আরামেই সিটে বসে যাত্রা করতে পারছি।” খুলনাগামী নকশী কাঁথা এক্সপ্রেসের আরেক যাত্রী জানান, “আগের মতো ভিড় থাকলে বাচ্চা নিয়ে অনেক কষ্ট হতো। আজ পরিবেশ অনেক ভালো লাগছে।”
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রার মূল চাপ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ফলে শেষ মুহূর্তের যাত্রীরাও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।


