অনলাইন ডেস্ক

আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি ইসলামি দল একত্রিত হয়ে ‘এক বক্স পলিসি’ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। দলগুলো নির্বাচনে প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী দেবেন, যাতে জোটের সকল দলের ভোটার একই প্রার্থীকে সমর্থন করেন।
জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দলগুলো নির্বাচনি প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাগপার ও বিডিপি এখন মাঠে সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছে। প্রতিটি দল ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে চাইছে, তবে সমঝোতার অংশ হিসেবে শতাধিক প্রার্থী প্রত্যাহারের সম্ভাবনা রয়েছে।
দলগুলোর শীর্ষনেতারা মাঠ পর্যায়ে জরিপ সম্পন্ন করেছেন। যেখানে প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, সেই আসনেই প্রাধান্য দেওয়া হবে। দলগুলো জানিয়েছে, প্রার্থী তালিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংখ্যা নয়, বরং নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনাই মূল লক্ষ্য।
আসন বণ্টন নিয়ে জানা যায়, জোটে বড় দল জামায়াতে ইসলামীর সবচেয়ে বেশি প্রার্থী থাকবে, যা প্রায় ২০০ আসন হতে পারে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৫০–৬০টি, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৫–২০টি, খেলাফত আন্দোলন ৫–৬টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাগপার ২–৩টি এবং বিডিপি ১–২টি আসনে প্রার্থী রাখবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, “যেখানে যাঁর অবস্থান ভালো, সাংগঠনিক শক্তি ও প্রার্থীর ইমেজ বিবেচনায় আমরা সেখানে প্রাধান্য দেব, তিনি যে দলেরই হোন না কেন।”
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “কতটা আসন কে নেবে, কে পাবেন, তা মুখ্য নয়। মুখ্য লক্ষ্য হচ্ছে যাকে কোথায় দিলে তিনি পাস করবেন, বিজয়ী হবেন। সেই ব্যক্তিই অগ্রাধিকার পাবে, এবং এক আসনে শুধু এক দল থাকবে, বাকিরা তাকে সহযোগিতা করবে।”
আসন বণ্টন চূড়ান্ত হলে আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার জানা যাবে কোন দল কতটি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে।


