কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তিন দফা দাবিতে অনশনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি সংহতি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। এ সময় এনসিপি নেতারা বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষকদের প্রতি সরকারের আন্তরিকতার অভাব দেখছেন তাঁরা।
আজ শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যায় এনসিপির নেতারা। এতে অন্যদের মধ্যে

ছিলেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও যুগ্ম সদস্যসচিব ফয়সাল মাহমুদ।
মূল বেতনের ২০ শতাংশ (ন্যূনতম তিন হাজার টাকা) বাড়িভাড়াসহ তিন দফা দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা ১২ অক্টোবর থেকে কর্মসূচি পালন করে আসছেন। তাঁরা অবস্থান কর্মসূচি, কর্মবিরতি, ‘মার্চ টু সচিবালয়’ ও শাহবাগ ‘ব্লকেডের’ পর অনশন করছেন।
অনশন কর্মসূচিতে এনসিপির পক্ষ থেকে সংহতি জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, কেউ কেউ প্রকল্প নেয়, লুটপাট করে টাকা বিদেশে পাচার করে আর শিক্ষকেরা বাড়িভাড়া দিতে পারে না, চিকিৎসা ভাতা পায় না। এই বাংলাদেশ আর দেখতে চাই না।
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, নতুন বাংলাদেশে ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছিল, যাতে দেশ পরিচালনায় যুক্ত থাকা ব্যক্তিরা সবার আগে দেশের নাগরিকদের প্রতি আন্তরিক থাকেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষকদের প্রতি আন্তরিকতার অভাব আমরা লক্ষ্য করছি।
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিপ্লবী সরকার গঠন করতে না পারা। শিক্ষকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা প্রত্যক্ষ করলাম, একটা যৌক্তিক বিষয়ে রাষ্ট্রকে নড়ানো কত কঠিন।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশরত শিক্ষক-কর্মচারীদের দুজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের চিকিৎসা দিয়েছে এনসিপির একটি চিকিৎসক প্রতিনিধিদল।


