অনলাইন ডেস্ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২০২৬ সালের বার্ষিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোট ৬৪ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা শিক্ষাদিবস বাড়ানোর লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগের বছরের তুলনায় কমানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপসচিব রওশন আরা পলি স্বাক্ষরিত এ ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হবে ৮ মার্চ থেকে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে যদি ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হয়, সে ক্ষেত্রে ২১ রমজান পর্যন্ত বিদ্যালয় খোলা থাকবে। এতে করে রমজানের প্রায় তিন সপ্তাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চালু থাকবে।
ছুটির তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৫ সালে পবিত্র রমজান, শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, স্বাধীনতা দিবস, জুমাতুল বিদা, শবেকদর ও ঈদুল ফিতর মিলিয়ে মোট ২৮ দিন ছুটি ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে রোজা, ঈদুল ফিতর ও সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় দিবসগুলোতে ছুটি কমিয়ে ১৯ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের ছুটি আগের ১৫ দিনের পরিবর্তে কমিয়ে ১২ দিন করা হয়েছে। শীতকালীন অবকাশও এক দিন কমিয়ে ১০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। দুর্গাপূজায় ছুটি থাকবে ৫ দিন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান ছুটিগুলোর মধ্যে রয়েছে—রমজান ও ঈদুল ফিতরসহ সংশ্লিষ্ট ছুটি ১৯ দিন, ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ১২ দিন, দুর্গাপূজা ৫ দিন এবং শীতকালীন অবকাশ ১০ দিন। সব মিলিয়ে অন্যান্য সাধারণ ছুটিসহ মোট ৬৪ দিন ছুটি থাকবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের পাঠঘণ্টা ও শিক্ষার মান বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় ও মৌসুমি ছুটির মেয়াদ তুলনামূলকভাবে কমানো হয়েছে। এ উদ্যোগ প্রাথমিক শিক্ষায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।


