বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬

সঞ্জয় দত্ত নিজের বাবার সামনে পড়ে গিয়ে ক্ষমা চাইছিলেন

পাঠক প্রিয়

তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ধস, ঝুঁকিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু

লালমনিরহাট ও রংপুর প্রতিনিধি  রংপুর, ২১ জুন: রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় মহিপুর তিস্তা সেতুর রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। তিস্তা...

‘ফুটবলের জন্য অযোগ্য’ থেকে বিশ্বকাপের নায়ক, উন্দাভের অবিশ্বাস্য উত্থান

স্পোর্টস ডেস্ক একসময় যাকে ফুটবলের জন্য ‘অযোগ্য’ বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই ডেনিস উন্দাভ এখন বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত নাম। জীবনের...

জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় আইটিএফসির দ্বারস্থ বাংলাদেশ, ২.৮ বিলিয়ন ডলার ঋণের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবারও আন্তর্জাতিক ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি)-এর সহায়তার দিকে ঝুঁকছে...

কাতারে আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাবে ইরান, দাবি পেজেশকিয়ানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান প্রাথমিক সমঝোতার অংশ হিসেবে কাতারের হেফাজতে থাকা ইরানের প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত...

ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে, মে মাসে মিলেছে পুনরুদ্ধারের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি কমেছে। তবে মে মাসে রফতানিতে...

বিনোদন ডেস্ক

মুম্বাই: ১৯৯৩ সালের মুম্বাই ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আইপিএস রাকেশ মারিয়া সম্প্রতি সেই সময়কার স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি বিশেষ করে একটি মুহূর্ত তুলে ধরেছেন, যখন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত নিজের বাবার সামনে পড়ে গিয়ে ক্ষমা চাইছিলেন।

রাকেশ মারিয়া ছিলেন সেই সময়ের মামলার অন্যতম তদন্তকারী কর্মকর্তা। তার অনুসন্ধানের ফলে সঞ্জয় দত্তকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে জেলে যেতে হয়। সম্প্রতি দেশি স্টুডিওজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মারিয়া বলেন, “যে মুহূর্তটি আমার মনে আছে, তা হলো সঞ্জয় বাবার সামনে পড়ে ক্ষমা চাইছিলেন। একজন মানুষ যে পরিস্থিতিতে এমন ভঙ্গিমা গ্রহণ করতে পারে, তা সত্যিই মনে রাখার মতো।”

তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালের বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত অত্যন্ত জটিল ছিল। তদন্তকালে বহু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছিল, বিশেষ করে আইন এবং জনমতের চাপের মধ্যে। সেই সময়কার অনেক অজানা ঘটনা এবং ব্যক্তিগত মুহূর্ত এখনো তার মনে স্মরণে আছে।

আইপিএস রাকেশ মারিয়া বলেন, “এই মামলাটি শুধু অপরাধের তদন্ত নয়, এটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও শিক্ষণীয়। তদন্তকালে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দিকও আমাকে অবাক করেছিল।”

এই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, যে কেবল প্রমাণ এবং তথ্যের ওপর নির্ভর করেই মামলার সত্য উন্মোচিত করা সম্ভব হয়েছে, আর সেই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপই অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিল।

১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলা ভারতীয় বিচার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। তদন্ত কর্মকর্তা রাকেশ মারিয়ার স্মৃতিচারণ সেই ইতিহাসকে নতুনভাবে সামনে তুলে ধরছে।

সর্বশেষ সংবাদ

জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় আইটিএফসির দ্বারস্থ বাংলাদেশ, ২.৮ বিলিয়ন ডলার ঋণের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবারও আন্তর্জাতিক ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি)-এর সহায়তার দিকে ঝুঁকছে...

ডিএমপিতে দুই ডিসির রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) দুই উপ-পুলিশ কমিশনারকে (ডিসি) রদবদল করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট অ্যান্ড স্পেশাল কোর্ট সিকিউরিটি বিভাগ এবং সিটি-রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট...

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার : জিয়াউদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ দেওয়ার...

কাতারে আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাবে ইরান, দাবি পেজেশকিয়ানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান প্রাথমিক সমঝোতার অংশ হিসেবে কাতারের হেফাজতে থাকা ইরানের প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত আসবে বলে দাবি করেছেন দেশটির...

‘ফুটবলের জন্য অযোগ্য’ থেকে বিশ্বকাপের নায়ক, উন্দাভের অবিশ্বাস্য উত্থান

স্পোর্টস ডেস্ক একসময় যাকে ফুটবলের জন্য ‘অযোগ্য’ বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই ডেনিস উন্দাভ এখন বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত নাম। জীবনের নানা প্রতিকূলতা, আর্থিক সংকট ও...

জনপ্রিয় সংবাদ