অনলাইন ডেস্ক

মিষ্টান্নের স্বাদ বাড়ানো থেকে শুরু করে সরাসরি খাবার হিসেবে—পেস্তার জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়েই। পায়েস, ফিরনি কিংবা বিভিন্ন ডেজার্টে খোসা ছাড়ানো কয়েক টুকরো পেস্তা ব্যবহার করলেই খাবারের স্বাদ ও আকর্ষণ বহুগুণ বেড়ে যায়। তবে শুধু স্বাদের জন্য নয়, পেস্তার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ, যা শরীরের সামগ্রিক সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি বাদাম
পেস্তায় রয়েছে সহজপাচ্য ফাইবার, উচ্চমানের প্রোটিন, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং ভিটামিন ই। পাশাপাশি এতে থাকা বিভিন্ন উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং কোষের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ভূমিকা রাখে।
হৃদযন্ত্র ও হজমে সহায়ক
বিশেষজ্ঞদের মতে, পেস্তার মধ্যে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী হতে পারে। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে। একই সঙ্গে এর ফাইবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বাড়িয়ে হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে।
ওজন ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
পেস্তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এটি রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়ায় না বলে ধারণা করা হয়। পাশাপাশি এতে থাকা প্রোটিন ও ফাইবার দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
ত্বক ও চুলের যত্নেও ভূমিকা
ভিটামিন ই এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের উপস্থিতি ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক হতে পারে। নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে পেস্তা গ্রহণ ত্বকের শুষ্কতা কমাতে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে বলে মত পুষ্টিবিদদের।
পরিমিত গ্রহণই গুরুত্বপূর্ণ
পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হলেও পেস্তা তুলনামূলকভাবে দামি একটি বাদাম। তাই প্রতিদিন অল্প পরিমাণে, যেমন দুই থেকে কয়েকটি পেস্তা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো খাদ্যই পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।
সুষম খাদ্যতালিকায় পেস্তা যুক্ত করা শরীরের সামগ্রিক পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


