মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬

নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করলে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ইসির

পাঠক প্রিয়

এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না : ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল করতে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের লক্ষ্যে একগুচ্ছ প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে...

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হারিয়ে গেলে স্বাধীনতার মূল্যবোধও হারাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে রাখা না গেলে একসময় স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্যবোধও হারিয়ে যাবে বলে মন্তব্য...

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, জরুরি সংবাদ সম্মেলন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা, শুক্রবার: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। ইতোমধ্যে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে জরুরি...

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

নির্বাচনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকে বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জনআস্থা ফেরাতে যৌথ বাহিনীর অভিযান পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

রোববার নির্বাচন ভবনে তিন বাহিনী প্রধানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নির্বাচনি পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না।

ইসি জানায়, তফসিল ঘোষণার পর আচরণবিধি প্রতিপালন মোটামুটি সন্তোষজনক হলেও শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নির্বাচনি পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার এবং চোরাগোপ্তা হামলা প্রতিরোধে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

যৌথ বাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনি এলাকায় আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি। অস্ত্রের আনাগোনা রয়েছে—এমন এলাকায় বিশেষ অভিযান ও চেকপোস্ট জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রার্থী ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পক্ষ থেকে আলাদা প্রোটোকল কার্যকর রয়েছে বলে জানায় ইসি। নিরাপত্তা ঝুঁকি মনে হলে প্রার্থীদের সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া সাম্প্রতিক নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, গণমাধ্যমে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ইসি জানায়, এসব ঘটনার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব নির্বাচনের ওপর পড়ে।

ইসি স্পষ্ট করে জানায়, মানবিক পুলিশিংয়ের নামে যারা সহিংসতা, ভাঙচুর বা নির্বাচন বিঘ্নিত করতে চায়, তাদের প্রতি কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে।

সর্বশেষ সংবাদ

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, জরুরি সংবাদ সম্মেলন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা, শুক্রবার: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। ইতোমধ্যে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে জরুরি...

মানবমস্তিষ্ক: মহাবিশ্বের ভেতর আরেক মহাবিশ্ব

সুফি সাগর সামস্ মহাবিশ্বের সবচেয়ে বিস্ময়কর সৃষ্টি কি কোনো নক্ষত্র, গ্যালাক্সি বা কৃষ্ণগহ্বর? হয়তো নয়। হয়তো সবচেয়ে বিস্ময়কর কাঠামো হলো মানবমস্তিষ্ক—কারণ এই ক্ষুদ্র জৈবিক অঙ্গই সমগ্র মহাবিশ্বকে...

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হারিয়ে গেলে স্বাধীনতার মূল্যবোধও হারাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে রাখা না গেলে একসময় স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্যবোধও হারিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ...

এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না : ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল করতে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের লক্ষ্যে একগুচ্ছ প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে...

মহাবিশ্ব: একটি ভৌত বাস্তবতা—নাকি চেতনার সম্প্রসারণ?

সুফি সাগর সামস্ বাস্তবতা, জ্ঞান ও মানবচেতনা সম্পর্কে এক দার্শনিক প্রতিফলন মহাবিশ্ব—তার গভীরতম অর্থে আসলে কী? এটি কি কেবল পদার্থ, শক্তি, স্থান ও সময়ের এক মহাবিস্তৃত সমাবেশ,...

জনপ্রিয় সংবাদ