আল–জাজিরা

দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও আশ্রয়প্রার্থী বাড়ার প্রবণতা মোকাবিলায় অভিবাসন ও আশ্রয়নীতিকে আরও কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছে আয়ারল্যান্ড। দেশটির মন্ত্রীরা জানিয়েছেন, আশ্রয়প্রার্থী ও অভিবাসীদের সংখ্যাবৃদ্ধি আবাসন ব্যবস্থা, সামাজিক সেবা ও সরকারি খাতকে উল্লেখযোগ্য চাপে ফেলছে। এসব কারণ বিবেচনায় নতুন নীতিগত কৌশল গ্রহণে বাধ্য হয়েছে সরকার।
গতকাল বুধবার রাজধানী ডাবলিনে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে আয়ারল্যান্ডের বিচারমন্ত্রী জিম ও’কালাহান এসব সংস্কারমূলক পদক্ষেপের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “উদ্বেগজনক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আশ্রয়ের আবেদন বৃদ্ধি সরকারি ব্যবস্থাপনাকে চাপে ফেলেছে। তাই নীতিগত পরিবর্তন জরুরি হয়ে পড়েছে।”
জিম ও’কালাহান জানান, গেল বছর আয়ারল্যান্ডের জনসংখ্যা বেড়েছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের গড় হারের চেয়ে সাত গুণ বেশি। তিনি বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও এর গতি নিয়ন্ত্রণযোগ্য সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা খাতে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
নতুন সংস্কারে কী থাকতে পারে
সরকারি সূত্র মতে, নতুন অভিবাসন সংস্কারে—
-
আশ্রয় আবেদনের প্রাথমিক যাচাইয়ের সময়সীমা ছোট করা,
-
ভিসা নীতিতে কঠোরতা,
-
অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে সীমান্ত নজরদারি বাড়ানো,
-
আশ্রয়প্রার্থী থাকার ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস,
—এসব বিষয় অগ্রাধিকার পেতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা বজায় রেখে অভিবাসন প্রবাহকে বাস্তবসম্মত পর্যায়ে রাখা, যাতে রাষ্ট্রের সেবা খাত অতিরিক্ত চাপের মুখে না পড়ে।
নতুন নীতির বিস্তারিত আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।


