নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার (১ ডিসেম্বর ২০২৫) দিবাগত রাত ১২টা ৫৫–৫৭ মিনিট এ প্রাযুক্তিকভাবে European‑Mediterranean Seismological Centre (EMSC) এবং United States Geological Survey (USGS)-র তথ্য অনুযায়ী — মিশ্র মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৯ (রিখটার স্কেল)।
EMSC-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার।
USGS বলেছে, কম্পনের উৎপত্তি স্থল ছিল মিয়ানমারের ফালাম (Falam), এবং ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল প্রায় ১০৬.৮ কিলোমিটার।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্প কক্সবাজার শহর, উখিয়া, চকরিয়া এবং পার্শ্ববর্তী পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম শহরে অনুভূত হয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতিহীন হলেও, অনেকেই মাত্র “কয়েক সেকেন্ডের কম্পন” অনুভব করেছেন।
ভূ-তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট
-
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো — বিশেষ করে কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রাম — অনেক ক্ষেত্রে ভূমিকম্প-প্রবণ। সাম্প্রতিক সময়েও (২০২৫-এ) এলাকার ভূমিকম্প-সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
-
যদিও এই particular ভূমিকম্পের মাত্রা বড় ছিল না, তবে উৎপত্তিস্থল হিসেবে মিয়ানমার এবং গভীরতা ১০০ কিমি+ হওয়ায় — কম্পন অনেকটা “দূর থেকে অনুভূত” হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি ও সতর্কতা
-
লোকাল সময় মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত (জানা পর্যন্ত) — ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট নাগ।
-
তবু — যেহেতু বাংলাদেশের কিছু এলাকা ভূমিকম্প-প্রবণ, ভবিষ্যতের জন্য নির্মাণকাঠামো আর দুর্যোগ প্রস্তুতি নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষ করে পুরনো কিংবা দুর্বল নির্মিত ভবনগুলোর জন্য।
-
জনসচেতনতা বাড়ানো, জরুরি পরিকল্পনা ও “earthquake-ready” আচরণ (যেমন নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়া) রাখাই বাঞ্ছনীয়।



