অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীসহ ১৬টি নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার সকাল ৯টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে সকাল ১০টায় তা শেষ হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.)। এতে নির্বাচন কমিশনের সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নির্বাচনকালীন সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটগ্রহণের দিন ও তার আগে-পরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, গোয়েন্দা তথ্য আদান–প্রদান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বাহিনী মোতায়েনের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক, মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর মহাপরিচালক, ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর মহাপরিচালক, জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)-এর মহাপরিচালক এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, বৈঠকে নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, নাশকতা বা অনিয়ম প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমন্বয় বৈঠক অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিকল্পনা হালনাগাদ করা হবে।


