নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: সরকারি চাকুরিদের বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বেতন কাঠামোতে পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন। সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে কমিশন গতকাল প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।
কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ধাপের (২০তম গ্রেড) বেতন হবে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ প্রথম গ্রেডে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। মোট ২০টি গ্রেড থাকছে, যা বর্তমান পে স্কেলের মতোই। নতুন কাঠামো অনুযায়ী বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া যাতায়াতের ভাতা ১০ম ধাপ থেকে ২০তম ধাপ পর্যন্ত দেওয়া হবে।
পেনশনভোগীদের জন্যও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান এমনদের জন্য ১০০ শতাংশ, ২০–৪০ হাজার টাকার জন্য ৭৫ শতাংশ, আর ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান তাদের জন্য ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি প্রস্তাব করা হয়েছে। ৭৫ বছরের বেশি বয়সিদের চিকিৎসার ভাতা ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বেতন কমিশনের প্রধান জাকির আহমেদ খান, অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী এবং অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রতিবেদনটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপস্থাপন করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রতিবেদন গ্রহণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে। তবে নির্বাচনের আগে তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম। সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি সামরিক ও বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বেতন কমিশন গঠন করা হবে।


