ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর নতুন সরকার গঠনের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রিসভার কাঠামো ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে দলীয় পর্যায়ে চলছে নিবিড় আলোচনা। বিশেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কে পাচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, শিক্ষা মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য তালিকায় ঘুরে ফিরছে তিনটি আলোচিত নাম—অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও ওসমান ফারুক।
ড. ওবায়দুল ইসলাম বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়–এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সাদা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাবের মহাসচিব হিসেবেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দীর্ঘদিন শিক্ষক অধিকার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় শিক্ষা অঙ্গনে তাঁর একটি গ্রহণযোগ্য ও পরিচিত মুখ রয়েছে। বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসন ঘিরে তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও আলোচনায় এসেছে। যদিও দলীয় সিদ্ধান্তে ওই আসনে শেষ পর্যন্ত অন্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবুও মন্ত্রিসভায় টেকনোক্রেট হিসেবে তাঁর অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।অন্যদিকে, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতী
কে ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
কে ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।শিক্ষা খাতে পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং মন্ত্রণালয় পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকায় তাঁকে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষামন্ত্রী করার আলোচনা জোরালো হয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক সক্ষমতার বিবেচনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন।
এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসন থেকে জয়ী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুক–এর নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। অতীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করায় প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় তিনি এগিয়ে
আছেন বলে মনে করছেন অনেকে। তবে দলীয় কঠিন সময়ে এলাকায় তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি নিয়ে কিছু সমালোচনাও রয়েছে। তবুও অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতা হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় রয়েছে।
আছেন বলে মনে করছেন অনেকে। তবে দলীয় কঠিন সময়ে এলাকায় তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি নিয়ে কিছু সমালোচনাও রয়েছে। তবুও অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতা হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি মন্ত্রিসভার রূপরেখা প্রায় চূড়ান্ত করেছে এবং অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক অবদান ও নির্বাচনী ফলাফলের সমন্বয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রীর পদ ঘিরে এই তিন নামের আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে অব্যাহত


