অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা: সমুদ্রসীমা বিজয়ের এক যুগ পার হলেও বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশ এখনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়নি। সম্প্রতি আহ্বান করা দরপত্রেও সাতটি বহুজাতিক কোম্পানি নথি কিনলেও কেউ জমা দেয়নি।
জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর অনাগ্রহের পেছনে রয়েছে উচ্চ আর্থিক ঝুঁকি, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ডব্লিউপিপিএফে অর্থ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা, ব্লকের ডেটার উচ্চমূল্য ও পাইপলাইন হুইলিং চার্জ।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ড্রাফট অফশোর প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি) ২০২৫ পুনর্বিবেচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ মহসিন জানিয়েছেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমা হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, শ্রম আইন সংশোধন এবং ডব্লিউপিপিএফ বিষয়ে স্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা গেলে বিদেশি বিনিয়োগ ফের আনা সম্ভব। সাম্প্রতিক সংশোধনে গ্যাসের দাম আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় হলেও কাঠামোগত বাধা এখনও আছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ অংশে ২৬টি ব্লক রয়েছে, তবে বিদেশি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাড়ানো ও কার্যকর খনন কার্যক্রম শুরু করতে হলে নীতি ও ঝুঁকি সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে।


