প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দেশে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আন্তঃপরিচালনযোগ্য করতে নতুন কৌশলগত অংশীদারত্বে আবদ্ধ হয়েছে নগদ লিমিটেড ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি। সম্প্রতি ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই চুক্তির আওতায় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর মাধ্যমে সম্পাদিত এনপিএসবি (NPSB) এবং বাংলা কিউআর (Bangla QR) লেনদেনের সেটেলমেন্ট ব্যাংক হিসেবে কাজ করবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি। এর ফলে আন্তঃপরিচালনাযোগ্য (interoperable) ক্যাশলেস লেনদেন আরও সম্প্রসারিত হবে এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার পথে অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে।
চুক্তির মূল বিষয়গুলো কী?
-
নগদের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া NPSB লেনদেনের সেটেলমেন্ট পরিচালনা করবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
-
বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থার লেনদেন নিষ্পত্তি আরও কার্যকর হবে
-
বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস প্ল্যাটফর্মের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন অর্থ লেনদেন নিশ্চিত হবে
-
ডিজিটাল গভর্নেন্স ও স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ দেশের আর্থিক খাতে আন্তঃসংযোগ বাড়াবে, ফলে গ্রাহকরা এক প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে সহজে লেনদেন করতে পারবেন।
কারা উপস্থিত ছিলেন?
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে—
-
নগদ লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ
-
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান
উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই অংশীদারত্ব?
বাংলাদেশে ডিজিটাল লেনদেন দ্রুত বাড়ছে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ব্যাংকিং অ্যাপ ও কিউআরভিত্তিক পেমেন্টের প্রসারের ফলে এখন প্রয়োজন শক্তিশালী সেটেলমেন্ট অবকাঠামো।
এই চুক্তির মাধ্যমে—
-
ব্যাংক ও এমএফএসের মধ্যে সমন্বয় বাড়বে
-
লেনদেনের গতি ও নিরাপত্তা উন্নত হবে
-
ব্যবসায়ী ও গ্রাহক—উভয় পক্ষই উপকৃত হবে
-
ক্যাশলেস সমাজ গঠনের পথ আরও সুগম হবে
সামনে কী পরিকল্পনা?
দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতাপূর্ণ অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সমৃদ্ধ করা হবে। দেশব্যাপী ডিজিটাল পেমেন্ট ছড়িয়ে দিতে যৌথভাবে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে অগ্রযাত্রায় এই ধরনের কৌশলগত অংশীদারত্ব আর্থিক খাতকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


