অনলাইন ডেস্ক

নবম জাতীয় বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের তিন সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পেশ করেছে। ২৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে বুধবার বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সকল পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সদস্য।
কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি স্কেলে বেতন সুপারিশ করেছে। সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন স্কেল ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। গ্রেড অনুযায়ী প্রস্তাবিত বেতন স্কেলের সীমা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন পুনর্গঠন করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করতে সরকারের প্রয়োজন হবে প্রায় এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের বার্ষিক ব্যয় এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা প্রবর্তন, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পুনর্গঠন, সার্ভিস কমিশন গঠন, বেতন গ্রেড ও স্কেলের যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস, সরকারি দপ্তরসমূহের ভাতা পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে মানবসম্পদ উন্নয়নের সুপারিশ করা হয়েছে।


