বিবিসি বাংলা

গত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আমাদের দেশের রাজধানী ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মূলত উৎপত্তিস্থল হিসেবে রয়েছে নরসিংদী জেলার দুটি উপজেলা ও ঢাকার বাড্ডা এলাকা। এতে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হচ্ছে —
-
প্রথম ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয় নরসিংদী জেলার এক উপজেলায়।
-
এরপর তিনটি আরও অনুক্রমিক গতিতে অনুভূত হয়েছে, যাদের মধ্যে একটির উৎপত্তিস্থল দেখানো হয়েছে ঢাকার বাড্ডায়।
-
এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর(বিএমডি) নিশ্চিত করেছে।
-
এসব ভূমিকম্পের ফলে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঝাঁকুনির অনুভূতি পাওয়া গেছে।
বিস্তারিত তথ্য ও বিশ্লেষণ
বিএমডি ও সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসারে —
১. প্রথম ভূমিকম্পটি হয় Friday (শুক্রবার) এবং সেটি রিখটার স্কেলে প্রায় ৫.৭ মাত্রার বলা হয়েছে।
২. এরপর শনিবার সকালে পলাশ উপজেলা (নরসিংদী) এলাকায় একটি ভূকম্পন হয়।
৩. একই দিন সন্ধ্যায় ঢাকার বাড্ডা এলাকায় আরও একটি ভূকম্পন হয়।
৪. এই তিনটির পাশাপাশি মোট চারটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে, যার তিনটির উৎপত্তিস্থল ঠিক রাজধানীর কাছে — নরসিংদী জেলার দুই উপজেলা ও ঢাকার বাড্ডা এলাকা।
৫. বিশেষভাবে বলা হয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটির পর “আফটার শক” অর্থাৎ পরবর্তী ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছ।
যেসব কথা বলা জরুরি
-
ভূমিকম্প অনুভব হলে দৌড়ে বাইরে বের হওয়া বা উঁচু স্থান থেকে নিচে আশ্রয় নেওয়ার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
-
বুদ্ধিমানের মতো আচরণ করলে বিপদ কম হয় — যেমন, দরজা/বিল্ডিংয়ের কোণে দাঁড়ানো, জানালা-শিশা থেকে দূরে থাকা।
-
বাড়িতে বা অফিসে থাকা অবস্থায় বিশুদ্ধ তথ্য গ্রহণ করা ঠিক যেমন এই ধরনের খবর স্থানীয় আবহাওয়া অফিস থেকে পাওয়া উচিত।
-
ভবিষ্যতে আরও আফটার শক অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন — 따라서 ঘরবাড়ি, স্কুল-কলেজ, অফিস সব জায়গায় জরুরি প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।
নরসিংদী ও ঢাকার অংশ-অংশে একাধিক ভূমিকম্পের ঘটনা শুধু কম্পনের মাত্রা ছিল না — সামাজিক উদ্বেগের কারণও হয়ে উঠেছে। তবে সচেতনতা ও দ্রুত কার্যকর প্রস্তুতি থাকলে বিপদ থেকে অনেকটা রক্ষা পাওয়া সম্ভব। অবস্থা মনিটর করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ সময়মতো পরবর্তী তথ্য জানাবে।


