নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৫ সালের ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, বিপুলসংখ্যক আবেদনকের মধ্যেও অনেক ক্যাডার পদ শূন্য রয়েছে। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গত বুধবার রাতে ফল প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে ২,৩০৯টি ক্যাডারের নিয়োগের কথা থাকলেও, পিএসসি ১,৮০৭ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে। এর অর্থ, ৫০২টি পদ ফাঁকা থাকছে।
বিশেষ করে কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে এই সংকট আরও প্রকট। পরিবার পরিকল্পনা (মেডিকেল অফিসার) এমসিএইচ–এএফপি সমমানের ৪৪১টি শূন্য পদের বিপরীতে মাত্র একজন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এটি নির্দেশ করে যে, যেসব পদ বিশেষায়িত জ্ঞান ও দক্ষতা চায়, সেসব ক্ষেত্রে যোগ্য প্রার্থীর ঘাটতি মারাত্মক।
ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাধারণ ও কারিগরি ক্যাডারের জন্য একই ধরনের সিলেবাস ও একীভূত পরীক্ষা নেওয়ার কারণে বিশেষায়িত পদগুলিতে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। একাধিক বিশ্লেষক মনে করছেন, একীভূত পরীক্ষার কাঠামো পরিবর্তন না করলে, ভবিষ্যতে পেশাগত ও বিশেষায়িত পদগুলোতে অনুপযুক্ত বা অপ্রতুল যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থী নিয়োগের ঝুঁকি থাকবে।
পিএসসি কর্তৃপক্ষ এই সংকট নিরসনে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশ্লেষকরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে প্রার্থীর দক্ষতা ও পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হলে এই শূন্যপদ সংকট কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।


