অনলাইন ডেস্ক

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতিরেকে বছরে মোট ৬৭ দিন ছুটি থাকবে।
রমজান ও স্বাধীনতা দিবসে টানা ২৬ দিনের ছুটি
শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৬ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এ ছুটি আজ থেকেই কার্যকর হয়েছে।
এছাড়া—
-
ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ: ২৪ মে থেকে ৪ জুন (১০ দিন)
-
শীতকালীন অবকাশ ও বড়দিন: ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর (৮ দিন)
এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসে নির্ধারিত তারিখে পৃথক ছুটি থাকবে।
পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি
প্রজ্ঞাপনে ছুটির পাশাপাশি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে—
-
অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা: ২৮ জুন – ১৩ জুলাই
-
নির্বাচনী পরীক্ষা: ২৮ অক্টোবর – ১০ নভেম্বর
-
বার্ষিক পরীক্ষা: ১৯ নভেম্বর – ৬ ডিসেম্বর
-
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা: ১৫ ডিসেম্বর – ২০ ডিসেম্বর
প্রতিটি পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্যও নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করেছে মন্ত্রণালয়।
পরীক্ষায় কঠোর নির্দেশনা
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে—
-
কোনো পরীক্ষার সময়কাল ১২ কর্মদিবসের বেশি হবে না
-
বিদ্যালয়গুলোকে নিজস্ব প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিতে হবে
-
বাইরে থেকে সংগৃহীত প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না
-
বিশেষ কারণ ছাড়া পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা যাবে না
-
একান্ত প্রয়োজন হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর-এর পূর্বানুমতি নিতে হবে
পরিদর্শনে ছুটি নয়
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে—
-
কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন বা সংবর্ধনা উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না
-
শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রাখা যাবে না
-
পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
তবে ভর্তি কার্যক্রম বা অন্য পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটির দিনেও বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ছুটি ও পরীক্ষার সময়সূচিতে কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হলেও পরীক্ষার সময়সীমা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে কড়াকড়ি আরোপ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


