অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি): সারা দেশে বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ আজ মঙ্গলবারও (৬ জানুয়ারি) অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে প্রকাশিত আবহাওয়া বুলেটিনে জানানো হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে—৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে—২৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
আবহাওয়া পর্যালোচনায় বলা হয়, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে এলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়।
এদিকে চলমান শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার কারণে বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


