শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো সংস্কার করা হবে: তারেক রহমান

পাঠক প্রিয়

সংকট আতঙ্কে জ্বালানি মজুত: বাসা হয়ে উঠছে ‘ঝুঁকির পেট্রোলপাম্প’

বিশেষ প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব এসে পড়েছে বাংলাদেশেও। তবে বাস্তবে জ্বালানি সরবরাহে...

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা দিচ্ছে চীন—মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

অনলাইন ডেস্ক ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই তেহরানকে নতুন করে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন—এমন তথ্য...

রাজধানীতে পাঁচ বছরে ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ করবে ডিএসসিসি: আব্দুস সালাম

অনলাইন ডেস্ক ঢাকা: রাজধানীকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে তুলতে আগামী পাঁচ বছরে তিন লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ...

হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ১৬৯

অনলাইন ডেস্ক দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর...

কাতারে ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে বলে খবর...

বাসস

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহ্যবাহী নাম ‘বিডিআর’ পুনর্বহাল, সেনাবাহিনীতে ‘ওয়ান র‍্যাঙ্ক ওয়ান পে’ বাস্তবায়ন এবং ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দিনকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃত দিবস ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত “স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুদৃঢ় আস্থা” শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সংসদ নির্বাচন-২০২৬ সামনে রেখে বিএনপির সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপকমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বিডিআর নাম পুনর্বহালের ঘোষণা

তারেক রহমান বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম ও ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ঐতিহ্যগত নাম পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দিনকে রাষ্ট্রীয় দিবস করার পরিকল্পনা

তিনি জানান, সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দিনকে—

  • শহীদ সেনা দিবস

  • সেনা হত্যাযজ্ঞ দিবস
    অথবা

  • জাতীয় শোক দিবস

হিসেবে ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ওয়ান র‍্যাঙ্ক ওয়ান পে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত ওয়ান র‍্যাঙ্ক ওয়ান পে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে দাবিগুলো যাচাইয়ের কথা বলেন।

জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো সংস্কারের ইঙ্গিত

সাবেক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠন এবং সেনা আইনের কিছু বিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

সেনাবাহিনী নিয়ে রাজনৈতিক অবস্থান

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শক্তিশালী সেনাবাহিনী অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচনী রাজনীতিতে নিরাপত্তা ইস্যুর কৌশলগত ব্যবহার

এই বক্তব্যে নিরাপত্তা, সামরিক মর্যাদা এবং ঐতিহাসিক আবেগ—এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে আনার চেষ্টা দেখা যায়। বিশেষ করে পিলখানা ইস্যু বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ইতিহাসে সংবেদনশীল বিষয়।

বিডিআর বনাম বিজিবি—প্রতীকী রাজনীতি

বাহিনীর নাম পরিবর্তন শুধু প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রতীকের সঙ্গেও যুক্ত। বিডিআর নাম পুনর্বহালের প্রতিশ্রুতি মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বার্তা হিসেবে দেখা হতে পারে।

ওয়ান র‍্যাঙ্ক ওয়ান পে—অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব

এটি বাস্তবায়ন হলে—

  • সামরিক ও আধা-সামরিক কাঠামোর বেতন কাঠামো পরিবর্তন হতে পারে

  • সরকারের আর্থিক চাপ বাড়তে পারে

  • অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে

সামরিক-বেসামরিক সম্পর্কের বার্তা

সাবেক ও বর্তমান সেনা সদস্যদের নিয়ে কমিটি গঠনের ঘোষণা সামরিক কাঠামোর সঙ্গে রাজনৈতিক সমন্বয়ের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে।

নির্বাচনের আগে লক্ষ্যভিত্তিক ভোট কৌশল

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের বার্তা—

  • সাবেক সেনা সদস্য

  • আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্য

  • জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে সংবেদনশীল ভোটার

—এই তিন শ্রেণির ভোটারদের লক্ষ্য করে দেওয়া হতে পারে।

সম্ভাব্য নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব

  • নিরাপত্তা খাতে নীতিগত পরিবর্তন আসতে পারে

  • সামরিক কল্যাণ ও মর্যাদা ইস্যু নির্বাচনী বিতর্কে গুরুত্ব পেতে পারে

  • ঐতিহাসিক ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে

তারেক রহমানের এই বক্তব্য নির্বাচন-পূর্ব রাজনৈতিক অঙ্গনে নিরাপত্তা, ইতিহাস ও সামরিক মর্যাদাকে সামনে আনার একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল ও পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর নির্ভর করবে এসব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন।

সর্বশেষ সংবাদ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা দিচ্ছে চীন—মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

অনলাইন ডেস্ক ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই তেহরানকে নতুন করে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন—এমন তথ্য...

হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ১৬৯

অনলাইন ডেস্ক দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫...

কাতারে ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। যদিও...

সংকট আতঙ্কে জ্বালানি মজুত: বাসা হয়ে উঠছে ‘ঝুঁকির পেট্রোলপাম্প’

বিশেষ প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব এসে পড়েছে বাংলাদেশেও। তবে বাস্তবে জ্বালানি সরবরাহে বড় কোনো সংকট না থাকলেও,...

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু

অনলাইন ডেস্ক পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেলে Islamabad-এ এ বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম Al...

জনপ্রিয় সংবাদ