নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর – বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গতকাল থেকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শোক আগামীকাল পর্যন্ত বজায় থাকবে।
রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের সব মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল একদিনের রাষ্ট্রীয় ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছিল। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাড়া-মহল্লা থেকে গণপরিবহন সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটিই নাম – ‘বেগম খালেদা জিয়া’। মানুষ তার অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিচারণ ও বেদনা প্রকাশ করছেন।
ধর্ম, দল-মত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু রাষ্ট্র ও রাজনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘদিন ধরে যিনি ঐক্য ও গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলতেন, তাঁর বিদায়ে গণতন্ত্রকামী মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করছেন। বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আগামীকাল শুক্রবার দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে বিএনপি দলীয়ভাবে সাত দিনের শোক পালন করছে। নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালিসহ সারা দেশের সব কার্যালয়ে সাত দিন কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দলের সব স্তরের নেতা-কর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেছেন। কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে খোলা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করছেন বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি, সরকারি ব্যক্তিত্ব এবং বিএনপি নেতা-কর্মীরা।


