শোবিজ ডেস্ক

মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি ‘বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক’ হওয়ার খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন। এ ধরনের প্রচারের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।
মঙ্গলবার (দুপুরে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন তিনি।
পোস্টে মেহজাবীন লেখেন, “সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই।”
তিনি দাবি করেন, উল্লিখিত কোনো ঘটনায় তাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। তার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি। এমনকি লাগেজে অভিযোগে উল্লেখিত কোনো অবৈধ বস্তু পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করেননি বলেও জানান তিনি।
অভিনেত্রী প্রশ্ন রাখেন, “আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?”
তিনি আরও বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে মেহজাবীন বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ অমূলক এবং প্রকাশিত ঘটনায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
এর আগে গত রোববারও এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, কিছুদিন ধরে বিভিন্ন ইস্যুতে তাকে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টে ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ ১৪ বোতল মদসহ তাকে আটক করা হয়—এমন দাবি করে কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। সে সময় তার সঙ্গে স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রকাশিত খবরে আরও দাবি করা হয়, তাদের লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়া গেলেও রহস্যজনক কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি প্রকাশ না করে ছেড়ে দেয়। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী।
প্রসঙ্গত, মাস তিনেক আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়লেও পরবর্তীতে আদালত থেকে অব্যাহতি পান এই অভিনেত্রী।
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চললেও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর সুরাহা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


