স্পোর্টস ডেস্ক

এস্তাদিও দে লা কারতুজায় ম্যাচের শুরুর দশ মিনিটেই যেন দুঃস্বপ্ন নেমে এসেছিল বার্সেলোনার ওপর। রিয়াল বেতিসের ধারাবাহিক চাপে রক্ষণভাগ দমে গিয়ে দ্রুতই হজম করে বসে প্রথম গোল। ঘরের মাঠে উড়তে থাকা বেতিস সমর্থকদের সামনে তখন বার্সার প্রতিক্রিয়াই বলে দিচ্ছিল—ম্যাচটি সহজ হবে না।
কিন্তু ফেরান তোরেস যেন অন্য গল্প লিখতে এসেছিলেন সেভিলিয়ায়। দ্রুতই ম্যাচের গতি পাল্টে দেন তিনি। দুর্দান্ত এক প্রতিআক্রমণ থেকে সমতায় ফেরানোর পর সেই ছন্দে ভর করেই প্রথমার্ধে হ্যাটট্রিক করে দলকে পুরোপুরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে এনে দেন স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড। তার গোলের ধারায় যোগ দেন তরুণ রুনি বার্গদি। ফলে বিরতির আগেই ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আক্রমণাত্মক রূপ ধরে রাখে কাতালানরা। বক্সে চাপে নড়বড়ে হয়ে পড়ে বেতিসের ডিফেন্স, আর সেখান থেকেই বার্সা পায় পেনাল্টি। স্পট কিক থেকে লামিনে ইয়ামাল নিখুঁত শটে গোল করে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন।
শেষদিকে কিছুটা লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে বেতিস। দুই গোল করে ব্যবধান কমালেও তাতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বা ফলাফলে কোনো পরিবর্তন আসেনি। নির্ধারিত সময় শেষে স্কোরবোর্ডে বড় অঙ্ক—৫-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাভির শিষ্যরা।
তোরেসের হ্যাটট্রিক, বার্গদি ও ইয়ামালের ধারালো আক্রমণ—সব মিলিয়ে বার্সেলোনার জন্য এটি কেবল তিন পয়েন্ট নয়, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও এক বড় বার্তা।


