অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় বড়দিন (২৫ ডিসেম্বর) ও ইংরেজি বর্ষবিদায়–নববর্ষবরণ (থার্টি ফার্স্ট নাইট) উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর ৭৩টি গির্জায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি থার্টি ফার্স্ট নাইটে সড়কে গাড়ি রেসিং করলে তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ি জব্দ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রেখেই জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে যেন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি জানান, বড়দিন উপলক্ষে রাজধানীর ৭৩টি গির্জায় ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় গুজব ও অপপ্রচার রোধে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মোটরকার রেসিং থেকে বিরত থাকতে হবে। কেউ রেসিং করলে তার গাড়ি জব্দ করা হবে।
সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে যেকোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে পূর্বানুমোদন নিতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের শৈথিল্য চলবে না এবং পটকা ও বিস্ফোরকের বেচাকেনা বন্ধে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ও ফানুস ওড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।
সভায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দসহ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


