অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভোটার নিবন্ধনের সময় বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের বিষয়ে ইসির অবস্থান নিয়েও জনমনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এই প্রতিবেদনটিতে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত, প্রেক্ষাপট এবং প্রভাব তুলে ধরা হলো।
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের সময় বৃদ্ধি
ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান যে প্রবাসীদের আবেদনের ভিত্তিতে ভোটার নিবন্ধনের সময় ১৮ ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
সময় বৃদ্ধির কারণ
- প্রবাসীদের অসুবিধা ও বিলম্বের বিষয় বিবেচনা করে সময় বাড়ানো হয়েছে।
- ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হচ্ছে।
নিবন্ধনের অগ্রগতি
- এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
- সময় বৃদ্ধির ফলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পোস্টাল ব্যালটে সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্তি না থাকা
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব স্পষ্ট করেন যে:
সরকারি চাকরিজীবীরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারলেও সাংবাদিকদের এ সুবিধার আওতায় আনার আইনগত সুযোগ নেই।
ইসির ব্যাখ্যা
- পোস্টাল ব্যালট সুবিধা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শ্রেণির ভোটারদের জন্য সংরক্ষিত।
- সাংবাদিকদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কোনো বিধান বর্তমানে নেই।
- সচিব এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।
নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে প্রবাসী ভোটারদের নিবন্ধন সময় বৃদ্ধি একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। তবে সাংবাদিকদের পোস্টাল ব্যালটে অন্তর্ভুক্ত না করার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। পেশাগত কারণে ভোটের দিনে মাঠে ব্যস্ত থাকায় অনেক সাংবাদিকের ভোটাধিকার প্রয়োগ কঠিন হয়ে পড়ে। বিধান পরিবর্তন বা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন হলে ভবিষ্যতে এ সুবিধা প্রসারিত করা যেতে পারে।
প্রবাসীদের নিবন্ধন সময় বৃদ্ধি তাদের অংশগ্রহণ আরও নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সময়ে পোস্টাল ব্যালটের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনাও গুরুত্ব পাচ্ছে। ভবিষ্যতে নীতিমালা সংশোধনের মাধ্যমে সাংবাদিকসহ আরও পেশাজীবীদের ভোটাধিকার প্রয়োগকে সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।


