অনলাইন প্রতিবেদক

ঢাকা, বুধবার — দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন জেলার ৬৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বুধবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বহিষ্কৃত নেতাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বহিষ্কৃত নেতারা দেশের আটটি বিভাগের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এর মধ্যে রংপুর বিভাগ থেকে ৩ জন, রাজশাহী বিভাগ থেকে ৮ জন, খুলনা বিভাগ থেকে ৬ জন, বরিশাল বিভাগ থেকে ২ জন, ঢাকা বিভাগ থেকে ৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে ৭ জন, ফরিদপুর বিভাগ থেকে ৭ জন, সিলেট বিভাগ থেকে ৫ জন, কুমিল্লা বিভাগ থেকে ৬ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ৬ জন নেতা রয়েছেন।
রংপুর বিভাগে বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দিনাজপুর-২ আসনের আ ন ম বজলুর রশিদ, দিনাজপুর-৫ আসনের এ জেড এম রেজয়ানুল হক এবং নীলফামারী-৪ আসনের রিয়াদ আরাফান সরকার রানা।
রাজশাহী বিভাগে বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁ-৩ আসনের পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নাটোর জেলার তিনজন নেতা, রাজশাহী-৫ আসনের ইসফা খাইরুল হক শিমুল ও ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, এবং পাবনা জেলার দুই নেতা।
খুলনা বিভাগে কুষ্টিয়া, নড়াইল, যশোর, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার ছয়জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বরিশাল বিভাগে বরিশাল-১ আসনের আব্দুস সোবহান এবং পিরোজপুর-২ আসনের মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেনের নাম রয়েছে তালিকায়।
ঢাকা বিভাগে নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নরসিংদী ও মুন্সিগঞ্জ জেলার মোট নয়জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সদস্য সচিব মহিউদ্দিনও রয়েছেন।
ময়মনসিংহ বিভাগে কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুর জেলার সাতজন নেতা বহিষ্কারের তালিকায় রয়েছেন।
ফরিদপুর বিভাগে মাদারিপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ জেলার সাতজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সিলেট বিভাগে সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাঁচজন নেতা রয়েছেন।
কুমিল্লা বিভাগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার ছয়জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার ছয়জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।


