প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ঢাকা, ৩ জানুয়ারি: বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে জাতীয় শোক দিবসের শেষ দিনে ড্যাফোডিল ফ্যামিলি তার ফ্যামিলি ডে অনুষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করেছেন।
উপকণ্ঠের ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী ৬ হাজার ৫০০–এর বেশি সদস্য একত্রিত হন। অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল গ্রুপ একটি যুগান্তকারী সামাজিক অঙ্গীকার ঘোষণা করে। ঘোষণায় জানানো হয়, ২০২৬ সাল থেকে গ্রুপের সব কনসার্নের নেট আয়ের এক-তৃতীয়াংশ দেশের জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। ড্যাফোডিল গ্রুপের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে বাংলাদেশের কর্পোরেট ইতিহাসে দায়িত্বশীল ও মানবিক ব্যবসায়িক নেতৃত্বের একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
উদ্যোগটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করতে বিভিন্ন কনসার্নের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ড্যাফোডিল গ্রুপ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তাদের কার্যক্রম কেবল ব্যবসায়িক মুনাফার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; জাতীয় উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণই হবে প্রধান লক্ষ্য।
ফ্যামিলি ডে উপলক্ষে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ২০ বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত ৭৯ জন এবং ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত ১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিশেষভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ সবুর খান বলেন, “২০২৬ সাল থেকে গ্রুপের সব কনসার্নের নেট প্রফিটের এক-তৃতীয়াংশ জনগণের কল্যাণে উৎসর্গ করা হবে। এটি কেবল কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতি-গঠনের অঙ্গীকার। এটি শুধু দান নয়, এটি ‘নেশন বিল্ডিং ইনভেস্টমেন্ট’। এই উদ্যোগের আওতায় শিক্ষা ও স্কলারশিপ, যুব নেতৃত্ব উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা এবং সুবিধাবঞ্চিত ও সম্ভাবনাময় তরুণদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে বিনিয়োগ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “যখন একটি প্রতিষ্ঠানের আয়ের এক-তৃতীয়াংশ জনগণের জন্য ব্যয় হয়, তখন সেই প্রতিষ্ঠান আর শুধু মালিক বা কর্মীদের নয়—পুরো দেশের হয়ে ওঠে।”
সংশ্লিষ্টরা এই উদ্যোগকে বাংলাদেশের কর্পোরেট খাতের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


