অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারা দেশের জরাজীর্ণ ভোটকেন্দ্র সংস্কারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত নির্বাচনযোগ্য করতে ৬ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এসব সংস্কারকাজের স্বচ্ছতা ও সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে উপজেলা ও সিটি করপোরেশন পর্যায়ে দুই স্তরের তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
-
উদ্দেশ্য: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলো দ্রুত ব্যবহারযোগ্য করা।
-
অর্থ বরাদ্দ: ৬ কোটি ৪ লাখ টাকা (২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেরামত ও পুনর্বাসন’ খাত থেকে)।
-
টার্গেট ভবন: ৯৪৭টি জরাজীর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
-
সমস্যা: ভাঙাচোরা দরজা-জানালা, ছাদের লিকেজ, সীমানা প্রাচীরের অভাব, বিদ্যুৎ ও স্যানিটেশন ত্রুটি।
-
-
ব্যবহার ক্ষেত্র: দরজা-জানালা মেরামত, ছাদের লিকেজ বন্ধ, ভবন সংস্কার, বিদ্যুৎ সংযোগ, শৌচাগার উন্নয়ন, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ।
-
বাস্তবায়ন সংস্থা: শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর (ইইডি)।
-
তদারকি ব্যবস্থা:
-
উপজেলা পর্যায়ে: ইউএনও সভাপতি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপসহকারী প্রকৌশলী সদস্য, প্রধান শিক্ষক সচিব।
-
সিটি করপোরেশন এলাকায়: নির্বাহী প্রকৌশলী সভাপতি।
-
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পৃথক কমিটি দ্রুত সংস্কারের দায়িত্বে।
-
-
নিরাপত্তা: ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ।
-
প্রসঙ্গ: ৬ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জরাজীর্ণ ভবনের তথ্য চেয়েছিল, রিপোর্টের ভিত্তিতে বরাদ্দ ও তদারকি ব্যবস্থা কার্যকর।


