অনলাইন ডেস্ক

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) ভবিষ্যতে পণ্য রফতানির সম্ভাব্য বাধা দূর করবে। একই সঙ্গে দেশের বাণিজ্য খাতকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সই উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, এই চুক্তির ফলে জাপানের উৎপাদনশীল ও সেবা খাতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দক্ষতা উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি আরও বলেন, জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেলেও এতে জাতীয় রাজস্বে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
তিনি আরও জানান, আজ রাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে এবং আগামীকাল এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ধর্মঘট অব্যাহত থাকলে রমজানকে সামনে রেখে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত সরকার বন্দর সচল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
এ সময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, জাপান-বাংলাদেশ ইপিএ চুক্তিতে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়বে এবং চুক্তিটি শিগগিরই কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, চুক্তির আওতায় জাপান তাদের বাজারে ৭ হাজার ৭৯টি বাংলাদেশি পণ্যকে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে। অপরদিকে, জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বিনা শুল্কে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।


