অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি দেওয়া পোস্টে পিয়া জানান, তার একাধিক পরিচয় রয়েছে—তিনি যেমন একজন ফ্যাশন মডেল, তেমনি একজন আইনজীবীও। আধুনিক চিন্তাধারা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী হলেও নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসকে সম্মান করাকে তিনি ব্যক্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখেন।
পিয়া জানান, ছবিটি দ্বিতীয় তারাবি নামাজ আদায়ের পরের দিনের। পোস্টে তিনি লেখেন,
“ইবাদত আমার কাছে শুধু অনুভূতি নয়, দায়িত্ব এবং চর্চা।”
সমালোচনার জবাবেও সম্মানের আহ্বান
পোস্টটির মন্তব্য ঘরে সমালোচনার বিষয়ও উঠে আসে। এক ব্যবহারকারী নেইলপলিশ পরে নামাজ আদায় করা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এ প্রসঙ্গে পিয়া শান্তভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কারও কাজ সবার পছন্দ নাও হতে পারে—এটি স্বাভাবিক। তবে পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা জরুরি।
তার ভাষায়,
“আমার বা যেকোনো মানুষের কাজ আপনার পছন্দ হতে পারে, নাও হতে পারে সেটা স্বাভাবিক। ভালো লাগলে সম্মান করুন, না লাগলে এড়িয়ে যান। কিন্তু সম্মানটা যেন সব সময় থাকে—সব মানুষের জন্য, সব ধর্মের জন্য, সবার বিশ্বাসের জন্য।”
পোস্টের শেষাংশে তিনি সবাইকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানান।
ক্যারিয়ার প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ‘মিস বাংলাদেশ’ খেতাব অর্জন করেন পিয়া জান্নাতুল। পরে ২০১২ সালে চোরাবালি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। মডেলিং, অভিনয় ও আইন পেশা—তিনটি ক্ষেত্রেই সক্রিয় থেকে তিনি নিজের বহুমাত্রিক পরিচয় গড়ে তুলেছেন।


