অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা – নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারির জন্য একটি বিশেষ সেল গঠন করতে যাচ্ছে। সোমবার (২৭ নভেম্বর) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে শেষ বৈঠকে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ভোটের সময় অনলাইন misinformation, গুজব, বা অবৈধ প্রচার রোধে এই সেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
কী হবে নতুন সেলের কাজ
-
ফেসবুক, অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম মনিটরিং করা হবে।
-
চিহ্নিত অপরাধী বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অতিরিক্ত নজরদারিতে আনা হবে। নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় থাকবে; মোবাইল টিম, সেন্ট্রাল রিজার্ভসহ কেন্দ্রভিত্তিক নজরদারি হবে।
কেন এমন উদ্যোগ জরুরি
-
সম্প্রতি সাইবারসহ ডিজিটাল মিডিয়া এবং এআই–ভিত্তিক ভুল/ভুয়া (misinformation, disinformation) প্রচারের আশঙ্কা শোনা যাচ্ছে।
-
সেকারণেই ইসি পূর্বেই জানিয়েছে — সোশ্যাল মিডিয়া ও এআই–ভিত্তিক নির্বাচনী প্রচার ও গুজব নিয়ন্ত্রণের জন্য কৌশল গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা ও তথ্য-নিরাপত্তার প্রস্তুতি
এ ছাড়াও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোতায়েন, সাইট-ট্র্যাকিং ফোর্স, এবং কেন্দ্রভিত্তিক নজরদারি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ইসি নির্দেশ দিয়েছে যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দিকনির্দেশনা দেবে; আর ইসি সেই নির্দেশনা মোতাবেক মনিটরিং নিশ্চিত করবে।
সবার জন্য উদ্বেগ ও চ্যালেঞ্জ
এই উদ্যোগ নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং সুষ্ঠু প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য ইতিবাচক হলেও — ডিজিটাল মনিটরিংয়ের ব্যাপারে তথ্যের স্বচ্ছতা, নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সংক্ষিপ্ততা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। গত নির্বাচনগুলোতে সামাজিক মাদ্ধমে গুজব, ভুল তথ্য ও গরুড়-প্রচারের ঘটনা ঘটেছিল।
গণমাধ্যম, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ নাগরিকদের জন্য এখন দরকার সচেতনতা এবং স্বচ্ছ চেকিং — কারণ তথ্য-নির্ভরতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা কঠিন কিন্তু অপরিহার্য।


